ঢাকা: তথাকথিত গণভোট একটি সাংবিধানিক প্রতারণা! রাষ্ট্রযন্ত্র যদি হ্যাঁ ভোটের পক্ষে ক্যাম্পেইন করে, সেই গণভোট কি নিরপেক্ষ থাকে?
অন্তর্বর্তী সরকারের গণভোটের প্রস্তাব নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা চলছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এটি কোনো গণভোট নয়, বরং জনগণের মতামতকে পাশ কাটিয়ে একটি পূর্বনির্ধারিত এজেন্ডা চাপিয়ে দেওয়ার সুপরিকল্পিত চেষ্টা।
বিশ্বের কোথাও এভাবে গণভোট হয় না। আয়ারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, লিথুয়ানিয়া বা অন্য যেসব দেশে গণভোট হয়েছে, সেখানে প্রতিটি প্রশ্নের জন্য আলাদা আলাদা ভোটের সুযোগ ছিল।
উল্লেখ করা প্রয়োজন, অধ্যাদেশের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনকে দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে। জুলাই সনদকে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করার বিধান রাখা হয়েছে। সংবিধান সংস্কার পরিষদের নামে আগামী সংসদের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এসব বিষয় জনগণের কাছে পরিষ্কার করে বলা হচ্ছে না। বুঝিয়ে বললেই তো ঝামেলা।
অথচ গণভোটে হ্যাঁ ভোট দিলে এসব বিষয়েও সম্মতি দেওয়া হয়ে যাবে।
তারা জানে সাধারণ জনগণ এত জটিল বিষয় ভালো বুঝবেও না, প্রশ্নও করবে না। এটা গণতন্ত্রের নামে প্রতারণা।
এই গণভোট যদি সত্যিই অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ অন্ধকারে তলিয়ে যাবে।
এই ষড়যন্ত্রের গণভোট সামনে রেখে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে মাঠে নেমেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা।
সপ্তাহব্যাপী প্রচারণার অংশ হিসেবে জেলায় জেলায় ঘুরে জনসচেতনতা সৃষ্টি করছেন তাঁরা।
আজ, বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) থেকে এ প্রচার কার্যক্রম শুরু করেছেন নির্বাচন মনিটরিং ও সহায়তা প্রদানসংক্রান্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টারা। চলবে আগামী ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত।
