ঢাকা: আজ ২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস। স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।
রক্ত, বেদনা এবং অদম্য সাহসের বিনিময়ে অর্জিত এক ইতিহাসের নাম ২৬ মার্চ। বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের সূচনা দিবস। দিনটি বাঙালির আত্মপরিচয়ের ভিত্তি হয়ে আছে।
সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের স্ফুলিঙ্গে উজ্জীবিত সশস্ত্র জনযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত হয়েছে আমাদের মুক্তির ইতিহাস।
৩০ লাখ শহীদের আত্মদান আর দুই লক্ষ মা-বোনের ত্যাগ-তিতিক্ষা এবং কোটি বাঙালির আত্মনিবেদন ও সংগ্রামের গৌরবগাঁথা গণবীরত্বের ইতিহাস।
বাঙালি জাতিকে মুক্তির মহামন্ত্রে উজ্জীবিত করে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের পথে এগিয়ে নিয়ে যান ইতিহাসের মহানায়ক, মহাবীর, বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
২৬ শে মার্চ, বৃহস্পতিবার মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তাদের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।
* সারা দেশে সকল পর্যায়ে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে।
* জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন।
* ধানমন্ডি বত্রিশে ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে শ্রদ্ধা নিবেদন।
দোয়া-মোনাজাত ও বিশেষ প্রার্থনা সভা :
*দেশের সকল মসজিদে দোয়া ও মোনাজাত।
*মন্দির, প্যাগোডা, গির্জাসহ সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে দেশব্যাপী বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন।
টুঙ্গীপাড়ার কর্মসূচিও আছে।
গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া উপজেলায় চিরনিদ্রায় শায়িত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন এবং দোয়া ও মিলাদ মাহফিল।
বিকাল তিনটায় ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিবস ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন’ শীর্ষক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভার্চুয়াল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা।
এছাড়াও মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আয়োজিত কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশব্যাপী সাংগঠনিক জেলা ও উপজেলা শাখা পর্যন্ত অনুরূপ কর্মসূচি গ্রহণ ও পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে।
