ঢাকা: বাংলাদেশের হিন্দুবিদ্বেষী মুসলমানরা হিন্দুদের বাড়িঘরে আগুন তো দিচ্ছেই, তারা হিন্দুদের পিটিয়ে-কুপিয়ে-জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে হত্যা করছে।

হিংস্রতা বেড়েই চলেছে তাদের। এদিকে, দেশের প্রধান সেজে বসা জিহাদি সমর্থক মোঃ ইউনুসের কিছু যায় আসে না এসবের।

হত্যাযজ্ঞ চলছে, তিনি বসে বাঁশি বাজাচ্ছেন। ইতিমধ্যে তাঁর নির্দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে হিন্দুবিদ্বেষী জিহাদিদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাই এখন মব হলে, খুন হলে পুলিশ যায় তিন ঘন্টা চার ঘন্টা পরে।

দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তায় ব্যবস্থা নিতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দেশে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ঐক্য পরিষদের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে, এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী নির্ভয়ে ও নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারবে কিনা এ নিয়ে শঙ্কা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, “নির্বাচনে পছন্দের প্রার্থীকে ভোটদানে জোরপূর্বক বিরত রাখার জন্যে সাম্প্রদায়িক দুর্বৃত্তমহল এসব ঘৃণ্য কার্যকলাপ অব্যাহতভাবে সারা দেশে চালিয়ে যাচ্ছে।”

দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের ওপর হামলা, সহিংসতা ও জমি দখলের ঘটনাও প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তুলে ধরা হয়েছে।

তবে এমন প্রেস বিজ্ঞপ্তিতেও জঙ্গী ইউনূসের মনে হয় না টনক নড়বে। তিনি হিন্দু নিধন মিশনে নেমেছেন। একদম টার্গেট করে করে মারা হচ্ছে হিন্দুদের।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *