ঢাকা: ইউনূসের রাজত্বকালে হিন্দুরা সম্পূর্ণভাবে অনিরাপদ হয়ে পড়েছে। তারা এখন ঘরেও নিরাপদ না।
১৮ ডিসেম্বর ময়মনসিংহর ভালুকায় দীপুচন্দ্র দাস নামের ওই যুবকের ‘অপরাধ’ ছিল, সংখ্যালঘু হয়েও সে বাংলাদেশের বাসিন্দা!
সেই নৃশংস খুনের স্মৃতি এখনো দগদগে। ২৯ ডিসেম্বর পিরোজপুরে বেশ কয়েকটি সংখ্যালঘু পরিবারকে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারতে সব দরজা-জানালা আটকে ঘরে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।
এগুলি হঠাৎ ঘটে যাওয়া অযাচিত ঘটনা নয়।
২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনার পদচ্যুতির পর থেকেই ঘটছে।
এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে শিক্ষার্থী উপমা দত্তের নিথর দেহ পাওয়া যাওয়ার ঘটনা আবারও প্রমাণ করল—অবৈধ ইউনুসের শাসনে বাংলাদেশ একটি ভয়ংকর অনিরাপদ রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।
হিন্দু শিক্ষার্থীদের টার্গেট কিলিং চলছে।
ইউনুস সরকার শুরু থেকেই বিষয়টিকে “আত্মহত্যা” বলে চালিয়ে দিতে তৎপর।
সহপাঠীদের বক্তব্য স্পষ্ট—উপমার আচরণে এমন কোনো লক্ষণ ছিল না যা আত্মহত্যার ইঙ্গিত দেয়। তাহলে এত তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে কেন? কাদের বাঁচাতে এই তড়িঘড়ি?
অবৈধ ইউনুসের শাসনামলে মেয়েদের/ হিন্দুদের নিরাপত্তা আজ শূন্যের কোঠায়।
কোথাও নিরাপত্তা নেই। এই দেশে এখন জঙ্গীদের আস্ফালন শুরু হয়েছে।
এদিকে, জামায়াতের আমির প্রকাশ্যে নারীদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ ভাষায় আক্রমণ চালাচ্ছে—আর রাষ্ট্র নির্বিকার।
