ময়মনসিংহ: দীপু চন্দ্র দাস, পেশায় একজন পোশাক শ্রমিক, কথিত ধর্ম অবমাননার মিথ্যা অভিযোগে উগ্রবাদিরা তাঁকে অত্যন্ত উল্লাসের সাথে গাছে বেঁধে, পিটিয়ে হত্যা করে এবং আগুনে পুড়িয়ে দেয়।
মধ্যযুগীয় বর্বরোচিত এই ঘটনায় যেকোন সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষকে শিহরণ জাগিয়ে দেবে! কিন্তু বোধ নেই জামাত শিবির ইউনূসের।
ময়মনসিংহের ভালুকায় দীপু চন্দ্র দাসের ঘটনা গায়ে কাঁটা দিচ্ছে দেশবাসীর।এই ঘটনার প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ।
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের দপ্তর সম্পাদক শচীন নাথ বাড়ৈ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
তবে এইসব প্রতিবাদে কী হবে? এইরকম বহু প্রতিবাদ হয়েছে, এখন প্রতিবাদ করলেও জেলে ভরে রাখে জঙ্গী সরকার।
এইভাবে দেশ চলে?
দীপু চন্দ্র দাস একটি পোশাক শিল্প কারখানায় চাকরি করতেন। প্রমোশন হয়েছিল তাঁর।
জানা যাচ্ছে, সুপারভাইজার পজিশনের জন্য আরও তিনজন প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন যারা দীপু দাসের প্রমোশনটিকে ভালোভাবে নেয়নি। এর মধ্যেই পাওনা টাকার হিসেব নিয়ে তিনজনের সাথে সামান্য বিরোধ হয় দীপু দাসের।
এর পরেই খুব সহজ কায়দায় দীপু দাসের নামে ইসলাম ধর্ম অবমাননার মিথ্যে অভিযোগ এনে গার্মেন্টস কারখানার পাশেই মব সৃষ্টি করে দীপু দাসকে পিটিয়ে আধমরা করে জ্যান্ত অবস্থায় গলায় দড়ি বেঁধে গাছের সাথে ঝুলিয়ে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়া হয়।
হিন্দু তো! অভিযোগ দেয়া বড় সহজ।
এত ধর্মপ্রাণ মুসলমানের মধ্যে একজনেরও মনে হয়নি এগিয়ে গিয়ে বলা, তোমরা এটা করো না। অথচ এরাই গর্ব করে বলে ইসলাম শান্তির ধর্ম।
জানা গেছে, দীপু দাস স্মার্ট ফোন ব্যবহার করতেন না। তিনি সাধারণ একটা বাটন ফোন ইউজ করতেন।
