ঢাকা: বাংলাদেশি নাগরিকরা বিশ্বের বহু দেশে ভিসা সমস্যায় ভুগছে। ভিসা দেয়া হচ্ছে না বাংলাদেশি নাগরিকদের। এর জন্য দায়ী কে?

৫ আগস্টের আগে কি এইরকম দৃশ্য দেখা গিয়েছে? এখন পাকিস্তান আর বাংলাদেশ প্রায় এক কাতারে গণ্য হতে শুরু করেছে। এই লজ্জা, এই দায় কার? আমাদের নিশ্চয়ই নতুন করে আর বলে দিতে হবে না।

আর এইযে ভিসা দেয়া হচ্ছে না, এর দায় নাকি দেশের? বললেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।

দেশের দায় অবশ্যই।তবে দেশ তো চালাচ্ছেন বর্তমানে ইউনূস এবং উপদেষ্টারা। বলা যায় আন অফিশিয়ালি জামাত। তা দেশ কেন সঠিক পথে পরিচালনা করতে পারছেন না আপনারা?

সরকারের চরিত্র সৎ না হলে দেশের মানুষকে ভুগতে হয়। যাই ভুগছে বাংলাদেশীরা।

আর যদি সিস্টেমের দোষ হয়, তাহলে সিস্টেম ঠিক করছেন না কেন উপদেষ্টারা? আজ এই সময় এসে নাগরিকরা ঘরবন্দী হয়ে পড়েছে। ভিসা নেই। ভিসা দেয় না কোনো দেশ। সন্দেহের চোখে দেখে এই পাসপোর্ট। এগুলোর জন্য দায়ী কে?

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘বাংলাদেশি নাগরিকদের যে ভিসা দেওয়া হচ্ছে না, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হিসেবে এই দায় স্বীকার করতে রাজি না আমি। এটা দেশের দায়, পুরো সিস্টেমের দায়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েরও না, ব্যক্তিগতভাবে আমারও না।’

উপদেষ্টা বলেন, ‘পৃথিবীজুড়ে প্রচুর সুযোগ আছে। আমরা তা নিজেদের দোষে ব্যবহার করতে পারছি না। ভিসা দেয় না, এর জন্য সম্পূর্ণভাবে আমরা দায়ী। প্রধান উপদেষ্টা নিজেই বলেছেন, জালিয়াতিতে আমরা একেবারে সেরা। আপনি যখন জালিয়াতি করবেন, তখন আপনার কাগজ কেন বিশ্বাস করবে?’

তিনি আরো বলেন, ‘ভিসা বলুন, অ্যাডমিশন বলুন, সবকিছু কাগজের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়। কাগজ দেখে বিশ্বাস করানোর দায়িত্ব আমাদের। যদি দেখা যায়, কোনো মহিলা কোনো দেশে মেইডের চাকরি করতে গেছেন, কিন্তু তার ভিসা হলো ফ্রন্ট অফিসার ম্যানেজার হিসেবে। চিন্তা করুন যে আমরা কী পরিমাণ ধাপ্পাবাজি করেছি।’

‘আমরা যতক্ষণ ঘর না গোছাব, এই সমস্যার সমাধান হবে না। আরও দুঃসময় আসতে পারে,’ বলেন তিনি।

‘আমি উল্টোটা মনে করি। আমি মনে করি আমরা অনেক ইস্যু এগিয়ে দিচ্ছি, যাতে পরবর্তী সরকারের জন্য কাজ করা সহজ হয়।’

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *