ঢাকা: জামায়াত ৪ লক্ষাধিক নারীকে ধর্ষণ করে এখনও কোরআন এর দোহাই দিয়ে বাঁচতে চায়।
স্বাধীনতার সূচনা মুহূর্ত থেকেই কিছু গোষ্ঠী ছিল যারা দেশের জন্মকে মেনে নিতে পারেনি। তাদের প্রধান ছিল জামায়াত-ই-ইসলামি।
১৯৭১ সালে জামায়াত সরাসরি পাকিস্তানি সামরিক জান্তার সহযোগী হয়ে মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল। আজও, পাঁচ দশক পর, তারা নিজেদের সেই পরাজয়ের শোধ নিতে নতুন নতুন ছক আঁকছে।
জামায়াত-ই-ইসলামি ইতিহাসের প্রতিটি পর্যায়ে প্রমাণ করেছে যে তারা কখনোই বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে সম্মান করেনি। বরং তারা বরাবরই ধর্মের নামে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালিয়েছে।
তারা পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সহচর ছিল, গণহত্যা এবং ধর্ষণের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধে সরাসরি যুক্ত ছিল। যুদ্ধপরবর্তী বাংলাদেশ জামায়াতকে নিষিদ্ধ করেছিল, তবে সময়ের পরিক্রমায় বিভিন্ন রাজনৈতিক সুযোগ সুবিধার সুবাদে তারা আবার মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে।
এই ধর্ষক রাজাকার গোষ্ঠী নাকি নারীদের মায়ের চোখে দেখে। কী অদ্ভুত !
নারী সমাজের নিরাপত্তা ও সম্মানের বিষয়ে শফিকুর রহমান বলেন, মায়েরা আমাদের সম্মানের জাতি। আমাদের জীবনের চেয়ে আমাদের মায়েদের সম্মানের মূল্য আমাদের কাছে অনেক বেশি।
জামায়াত সরকার গঠন করলে মা-বোনেরা ঘরে, যাতায়াত ও কর্মস্থলে সম্পূর্ণ নিরাপত্তা ও সম্মানের সাথে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। তাদের মাথার তাজ হিসেবে মাথায় তুলে রাখা হবে।
বাপরে! এরা কী বলছে এসব? জনগণ এত বোকা?
এদিকে, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে শফিকুর রহমান বলেন, আমরা ঘোষণা করেছি, চাঁদা আমরা নিই না এবং কোনো চাঁদাবাজকে আমরা চাঁদা নিতে দেব না। আমরা বলেছি সব ধরনের দুর্নীতি বন্ধ হবে। দুর্নীতি আমরা তো করবই না, আর কাউকে দুর্নীতি করতে দেওয়া হবে না।
অবশ্য তারা করলে সেটাকে চাঁদাবাজ বলা হয় না, হাদিয়া বলে।
বলেন, জুলাই না হলে আজকে এখানে দাঁড়াতে পারতাম না, কথা বলতে পারতাম না, মানুষের কাছে যেতে পারতাম না, মানুষের অধিকারের জন্য প্রকাশ্যে লড়াই করতে পারতাম না।
অবশ্য জুলাই তো হয়েছেই তাঁদের জন্য।
