ঢাকা: টিকটকার আর আন্দোলনকারী প্রজন্মকে সাবধানবাণী শোনালেন অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ।
শিক্ষার্থীরা যেন এইসব ভিডিও বানানো বন্ধ করে পড়াশোনায় মন দেয়।
উল্লেখযোগ্য যে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বিজয়ী হন ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন।
১৭ ফেব্রুয়ারি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণের পর তাঁকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর শিক্ষার্থীদের সাবধান করে তাঁকে নিয়ে পোস্ট করেন ছোট পর্দার অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ।
ছাত্র ছাত্রীদের সতর্ক করে পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। তা নাহলে বিপদ আছে।
নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ইরফান সাজ্জাদ লিখেছেন, ‘শিক্ষার্থীরা তোমরা যারা আগের দিন টিকটক করে পরের দিন পরীক্ষা দিয়ে পাস করে গেছো, তারা আল্লাহর ওয়াস্তে পড়তে বসো। এই লোক কী জিনিস, তোমাদের কোনো আইডিয়া নাই।’
অভিনেতা তাঁর পোস্টের সঙ্গে দায়িত্ব পাওয়া শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলনের একটি ছবি জুড়ে দিয়ে সেখানে নিজের এএসএসি পাস করার অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়েছেন।
সাজ্জাদ লিখেছেন, ‘আমাদের এসএসসি পরীক্ষার সময় পাসের হার ছিল ২৮ শতাংশ। আর সেই সময়ে এই ভদ্রলোক (এহসানুল হক মিলন) ছিলেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী।’
পোস্টে অনেকেই কমেন্ট করেছেন যে অভিনেতা ঠিকই বলেছেন।
আরেকজন লিখেছেন, ‘আমার মনে হয় স্টুডেন্টদের না যত সতর্ক করা উচিৎ, তার থেকে বেশি সতর্ক করা উচিৎ প্রশ্ন ফাঁসের সাথে জড়িতদের, ঘুষের সাথে যারা ওতপ্রোতভাবে জড়িত তাদের প্রশ্ন করা উচিৎ। এই ধরনের ক্রাইম আগে দমন করা উচিৎ’।
প্রসঙ্গত, এহসানুল হক মিলন ১৯৯৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে চাঁদপুর-১ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
২০০১ সালে ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। যেখানে তিনি আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী প্রাক্তন মন্ত্রী মহিউদ্দীন খান আলমগীরকে পরাজিত করেছিলেন।
মিলন সাহেব ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।
