ঢাকা: সালাহউদ্দিন আহমদ পরিষ্কার জানিয়ে দেন, তারা সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হননি।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, গণভোটের রায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার হলে, সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথের ফরম যুক্ত হলে, কে এই শপথ পড়াবেন তা নির্ধারিত হলে, তখন সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়া যাবে।
তিনি দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই নির্দেশনা দিচ্ছেন বলে সহকর্মীদের জানান।
এই সংবিধান সংস্কার পরিষদের বাস্তব অস্তিত্ব নেই। আইনগত অস্তিত্ব তো নেই, বাস্তবেও এই জিনিস নেই।
সংবিধান সংস্কারের কাজ সংবিধান অনুযায়ীই হয়, আপনার আমার ইচ্ছায় নয়। সেটা বোধহয় রাজাকার জামাত জানে না।
আর এই যে জামাতের জোট থেকে নির্বাচিত এমপিরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসাবে শপথ নিলো এটা একটা তামাশা। যে পরিষদের অস্তিত্ব নাই সেটার আপনি সদস্য হবেন কি করে?
জামাত ভাবছে, এটা নিয়ে রাজনীতির মাঠে কোন ফায়দা নিতে পারবে এইসব করে।
সংবিধান সংস্কার পরিষদে সই না করায় জামাত এখন চুল ছিঁড়ছে।
এর আগে শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা মনে করি সরকারি দল শপথ না নিয়ে জুলাইকে উপেক্ষা ও অবজ্ঞা করেছে। এতে জনআকাঙ্ক্ষার বিপরীতে তাদের অবস্থান বলে আমরা মনে করি’।
বিএনপি এই পথে থাকলে জনগণের সমর্থন আদায় করে সমর্থ হবে।
সংবিধানের কোথাও সংস্কার পরিষদের শপথের কথা নেই। কোন এখতিয়ারে, কোন ভাষায় শপথ নেবে?
জামাত জুলাই জঙ্গী আন্দোলনকে অভ্যুত্থান বলে। আমরা বলি না মানে জনগণ বলে না।
জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান আবারো বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ না নেওয়ার বিষয়টি জুলাই অভ্যুত্থানকে ‘অপমান করার শামিল’।
শফিকুর রহমান বলেছেন, “এই জুলাইয়ের কারণে নির্বাচন হল, এই জুলাই না হলে তারেক রহমান কী প্রধানমন্ত্রী, আমি কি বিরোধী দলীয় নেতা হতে পারতাম?”
জুলাইকে ‘স্বীকৃতি দিতে হবে’ মন্তব্য করে শফিকুর রহমান বলেন, “তাহলে অবশ্যই জুলাইকে সম্মান করতে হবে। জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষায় সব সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়ন করা পবিত্র দায়িত্ব।”
