ঢাকা: দেশে নিধনযজ্ঞ শুরু হয়েছে। সারাদেশে গণহত্যা শুরু করেছে ফ্যাসিস্ট ইউনূস।
লাশের দেশ হয়েছে বিগত দেড় বছরে বাংলাদেশ। সাধারণ মানুষরাও আজ ইউনূসের মবের কাছে জিম্মি-অসহায়, ব্যবসায়ীরা ধুকে ধুকে মরছে।
জনগণ পরিষ্কার বলছে, ‘এক জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারই পারে স্বৈরাচার-ফ্যাসিস্ট ইউনূস গংয়ের মত দেশবিরোধী-গণশত্রুর হাত থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা করতে’।
পুরো দেশটা এখন চলছে “যেমন খুশি তেমন” নিয়মে। আইন নেই, শৃঙ্খলা নেই, নিরাপত্তা নেই। রাষ্ট্র যেন ছুটিতে গেছে, আর মবই হয়ে উঠেছে বিচারক, পুলিশ, আদালত।
এটাই দখলদার ইউনুসের শাসনের বাস্তব রূপ।
হাসপাতাল নিরাপদ নয়, আদালত নিরাপদ নয়, শিক্ষক নিরাপদ নয়, সাংবাদিক নিরাপদ নয়, সাধারণ মানুষ নিরাপদ নয়।
ইউনূস নীরব। তিনি কিচ্ছু দেখেন না।
দেশের এহেন শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানান লেখক তসলিমা নাসরিন।
তিনি বলেন, ‘এই মৃত্যু উপত্যকাই আমার দেশ।
পিটিয়ে, পুড়িয়ে, গুলি করে বা জবাই করে করে লাশ ফেলা হয়েছে নদীতে, জলাশয়ে, খাদে, রাজপথে, গলিতে গলিতে, আবর্জনায়।
কেউ কেউ হয়তো লাঞ্ছিত হতে হতে আত্মহত্যা করেছে।
নরাধম শাসকের অধীনে আমরা সকলেই বেওয়ারিশ।
শ্বাস নিচ্ছি, জীবিত, তারপরও এই হিংসে আর ঘৃণার পৃথিবীতে আমরা লাশের মতো হাঁটি, লাশের মতো ওঠ বস করি, লাশের মতো শুয়ে থাকি।
আমরা ১৭ কোটি লাশ।
আমরা শুধু চোখ মেলে মেলে অন্যের মৃত্যু দেখেছি, কিছু বলিনি।
আমাদের নিজেরও মৃত্যু হলো, চোখ মেলে মেলে অন্যরাও দেখেছে,
কিছু বলেনি।
এই মৃত্যু উপত্যকাই আমার, আমাদের দেশ’।
