ঢাকা: গণভোট হচ্ছে অসাংবিধানিক এবং অগণতান্ত্রিক। এখানে দ্বিতীয়টি কোনো কথা নেই।
তথাকথিত ‘জুলাই চার্টার’ সংক্রান্ত গণভোট আয়োজনকে কেন্দ্র করে গুরুতর সাংবিধানিক ও আইনি প্রশ্ন উত্থাপন হচ্ছে। কারণ এর কোনো ভিত্তি নেই।
গণভোট নয়, এটা আসলে সংবিধান ধ্বংসের আয়োজন । একাত্তরের সংবিধান ভাঙার নতুন ষড়যন্ত্র।
বাংলাদেশের সংবিধানে বর্তমানে গণভোটের কোনো বিধান নেই। ১৯৭৯ সালে পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে গণভোটের সুযোগ যুক্ত করা হলেও ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তা সম্পূর্ণভাবে বাতিল করা হয়।
ফলে আজকের বাস্তবতায় গণভোট আয়োজনের কোনো সাংবিধানিক ভিত্তি নেই। এটা অবৈধ।
বিশ্লেষকদের মতে, ইউনুস একাত্তরের সংবিধানকে পাশ কাটিয়ে বাংলাদেশে একটি মৌলবাদী ও স্বেচ্ছাচারী শাসনব্যবস্থার ভিত্তি তৈরি করতেই গণভোটের নাটক মঞ্চস্থ করেছেন।
১৭ ফেব্রুয়ারি দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে নিয়েছেন তারেক রহমান।
এদিনই গণভোটের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে এবং গণভোটের ফল বাতিলের দাবিতে একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছে বাংলাদেশ হাইকোর্টে।
রিট পিটিশন দায়ের করেছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ বি এম আতাউল মজিদ তৌহিদ।
তিনি বলেন, আগামী সপ্তাহে বিচারপতি ফাতেমা নজীবের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে রিটটির শুনানি হতে পারে।
পালটা সুপ্রিম কোর্টেরই সিনিয়র আইনজীবী শিশির মনির জানিয়েছেন, আদালতে তাঁরা এই রিটের কড়া মোকাবিলা করবেন।
