ঢাকা: সাবেক উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম ক্যারিবিয়ান দ্বীপ রাষ্ট্র ডোমিনিকার নাগরিকত্ব নিয়েছেন, এই মর্মে প্রার্থিতা বাতিলের জন্য অভিযোগ করা হয়েছে আদালতে।
ঢাকা-১১ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী ও দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণার সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে।
এর কারণ কী? এই ছাত্রনেতারা ১ বছরের মধ্যে কেন ভিন্ন দেশের নাগরিকত্ব নিয়েছেন? কিভাবে নিলেন? এতো টাকা কোথায় পেয়েছেন? এত ইমারত কোথা থেকে গড়লেন?
এইযে ছাত্রদের নাম নিয়ে একটা জঙ্গী আন্দোলন করলো এরা, ছাত্রদের জীবন নষ্ট করলো, এটা কি জাতির সাথে, সাধারণ মানুষের সাথে, সাধারণ শিক্ষার্থীর সাথে প্রতারণা নয়?
বছর দেড়বছর আগে যাদের চলাফেরা নিন্ম মধ্যবিত্ত পরিবারের মতো ছিল, পায়ে হাওয়াই চটি পরে ঘোরাফেরা করতো, তারা এখন কোন আলাদিনের চেরাগের ছোঁয়ায় দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়েছেন?
নাহিদের দ্বৈত নাগরিকত্ব থেকে এটি স্পষ্ট উপদেষ্টা-সমন্বয়ক সবাই পালানোর পথ তৈরি করে রেখেছে। তেমন কিছু দেখলেই পালাবে।
রিটে অভিযোগ করা হয়েছে, নাহিদ ইসলাম হলফনামায় তথ্য গোপন করেছেন। তিনি ক্যারিবিয়ান দেশ কমনওয়েলথ অব ডমিনিকার নাগরিকত্ব নিয়েছেন। দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকায় তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার অযোগ্য।
ওই আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী শামীম আহমেদ রোববার হাইকোর্টে এই রিট করেন।
রিটকারীর আইনজীবী মোহাম্মদ মঞ্জু মোল্লা বলেন, সংবিধানের ৬৬(২)(গ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ করলে তিনি সংসদ সদস্য হওয়ার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
আইনজীবী আরও জানান, আগামীকাল মঙ্গলবার হাইকোর্টে রিটটির ওপর শুনানি হতে পারে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
