ঢাকা: ইউনূস অবৈধ, তাঁর চুক্তিও অবৈধ। এমন স্বার্থপর ব্যক্তি বোধহয় পৃথিবীতে দ্বিতীয়টি আর খুঁজে পাওয়া যাবে না।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে দেশ বিক্রির চুক্তি করেছে দালাল ইউনূস। আর এই চুক্তি মেনে নিয়েছে জামায়াতের প্রধান এবং বিএনপি প্রধান।

মনে রাখতে হবে দালাল ইউনূস, জামায়াত এবং বিএনপি এরা বাংলাদেশ জন্ম দেয় নাই। এরা বাংলাদেশের মালিকও না।

এই দেশ স্বাধীনতার যুদ্ধের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ত্রিশ লাখ শহীদ এবং দুই লাখ মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে জন্ম নিয়েছে।

দেশ বিক্রির চুক্তিতে রয়েছে- বাংলাদেশের কৃষি, শিল্প বাণিজ্য, অর্থনীতি, উৎপাদন, মৎস প্রাণীজ ও পানি, সীমান্ত, আকাশ, মাটি, সামরিক ও আইনশৃঙ্খলা, চিকিৎসা ও ওষুধ এবং তথ্য প্রযুক্তি সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করবে আমেরিকা।

এর মানে হলো, বাংলাদেশ আমেরিকার আরেকটি অঙ্গ রাজ্য!

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত বাণিজ্য চুক্তিকে ‘অসম’ আখ্যা দিয়ে বাতিলের দাবিতে শনিবার সারাদেশে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট।

এবং এই একই দাবিতে ২৭ এপ্রিল সংসদ অভিমুখে বিক্ষোভ মিছিলের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ১৬ থেকে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত দাবির পক্ষে সারা দেশে গণসংযোগ ও প্রচার চালানো হবে।

এখানে উল্লেখ করা জরুরি যে, বৃহস্পতিবার ১৩টি বামপন্থি, প্রগতিশীল ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে ‘সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট’-এর আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ ঘটে।

এ দিন সংবাদ সম্মেলনে জোটের আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন তাদের মুখপাত্র বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ।

ঢাকায় সিপিবি অফিসের মৈত্রী মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনের বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেছেন, “যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড’ একটি অসম, একতরফা ও জাতীয় স্বার্থবিরোধী চুক্তি। এটি বাংলাদেশের অর্থনীতি, কৃষি, শিল্প, কর্মসংস্থান, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বকে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিতে ফেলবে।

“চুক্তির বিভিন্ন ধারায় বাংলাদেশের ওপর শুল্ক ও শুল্ক-বহির্ভূত বাধ্যবাধকতা আরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের একক সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশকে উচ্চমূল্যে জ্বালানি, খাদ্যশস্য, কৃষিপণ্য ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম আমদানিতে বাধ্য করা হবে। একইসঙ্গে দেশীয় শিল্প ও কৃষিখাত মারাত্মক প্রতিযোগিতার মুখে পড়বে এবং বিপুল কর্মসংস্থান হুমকির সম্মুখীন হবে।”

জোটের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচনের প্রাক্কালে ‘এখতিয়ার বহির্ভূতভাবে’ এই চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যা গণতান্ত্রিক রীতিনীতি ও সংবিধানের ১৪৫(ক) অনুচ্ছেদের পরিপন্থি।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *