ঢাকা: কালোবাজারি, সিন্ডিকেট গোষ্ঠী ভোজ্যতেল অবৈধভাবে মজুত করে রেখে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে। আর কোনো জিনিসের অভাব হলে তখন তার চাহিদাও দ্বিগুণ হয়ে যায়।

দেশজুড়ে ভোজ্যতেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং মজুদ, কালোবাজারি ও চোরাচালান রোধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তাদের অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করেছে।

প্রায় প্রতিদিন বিভিন্ন জেলা থেকে অবৈধ মজুত জব্দ হচ্ছে।

শুক্রবার ভোররাতে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার তারাবো কাজীপাড়া এলাকায় একটি গুদামে অভিযান চালায় বিজিবি ও র‍্যাবের যৌথ দল।

উক্ত অভিযানে প্রায় ২ হাজার লিটার খোলা সয়াবিন তেল জব্দ করা হয়, যা ৯টি ব্যারেলে সংরক্ষিত ছিল।

একই সঙ্গে “Bandhan Plus” ও “Bismillah” নামে জাল লেবেল ব্যবহার করে অবৈধভাবে বোতলজাত ও বাজারজাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

দেশের ভোজ্যতেল সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখা এবং বাজারে কোনো ধরনের সংকট বা অস্থিরতা যাতে সৃষ্টি না হয় সেজন্য সরকার দ্রুত কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

রবিবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে দেশের ভোজ্যতেল সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত এক বৈঠকে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে তিনি এই কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির প্রভাবে জ্বালানি ও সরবরাহ ব্যবস্থায় যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, তা বিবেচনায় রেখে সরকার বিষয়টি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা ব্যবসায়ীদের সমস্যাগুলো শুনেছি। এগুলো নিয়ে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করে খুব দ্রুত একটি বাস্তবসম্মত ও গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হবে, যাতে সরবরাহ চেইন অব্যাহত রাখা যায়।’

আরও বলেন, সরকার ভোক্তা স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারনে  আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার হচ্ছে, কোন পণ্যের দাম যাতে না বাড়ে। সেটিকে লক্ষ্য হিসেবে নিয়ে আমরা পদক্ষেপ নেব।’

প্রশ্ন থাকলো, এই পদক্ষেপ কবে? কারণ বাজারে ইতিমধ্যে মাছ, মাংসসহ সব জিনিসের দাম বেড়েছে। অথচ বাজার তদারকি করার কেউ নেই।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *