ঢাকা: প্রতারণার আরেক নাম ইউনুস। এত বৃদ্ধ, গাল, মুখের চামড়া কুঁচকে গেছে কিন্তু তাঁর ক্ষমতার লোভ, আর অর্থের লোভ এখনো যায়নি। এই লোভে ধ্বংস হয়েছে বাংলাদেশ।

দেশের অর্থনীতি রীতিমতো ধ্বংস করেছেন। সংস্কারের নামে ইউনূস সরকার দেশের জনগণের সঙ্গে যে প্রতারণা করেছে, তা তো দেখাই যাচ্ছে।

একটা ভালো উদ্যোগ কেউ দেখাতে পারবে না ইউনূসের।

অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতারণা আজ জাতির সামনে উন্মোচিত হয়েছে। আর্থিক খাতে সংস্কারের নামে তিনি দেশের অর্থনীতি রীতিমতো ধ্বংস করেছেন।

ইউনূসের শাসনামলে বেসরকারি খাত ধ্বংসের ভয়াবহ তাণ্ডব চলে। হাজার হাজার কলকারখানা বন্ধ হয়ে যায়। লাখ লাখ শ্রমিক বেকার হয়।

মব সন্ত্রাস করে জ্বালিয়ে দেওয়া হয় শত শত কলকারখানা।

দুর্নীতি করেছেন হামের টিকা নিয়ে। হামের টিকা দেওয়া বন্ধ করা হয় ইউনূস সরকারের আমলে।

হিসেব বলছে, নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি চালু ছিল এবং টিকাদানের উচ্চহার বজায় ছিল অন্তত ২০২৩ সাল পর্যন্ত।

ইউনূস ঘনিষ্ঠ, তথা তাঁর বান্ধবী নূরজাহান বেগম স্বাস্থ্য উপদেষ্টা হওয়ার পর একের পর এক লোভী পদক্ষেপের কারণে দেশের স্বাস্থ্য খাত ভেঙে পড়েছে।

এখন হাম জটিলতা যেন কাটছেই না। প্রায় ১৫০ শিশু মারা গেছে। যেখানে উন্নত দেশে একটি শিশুও মারা গেলে জবাবদিহি করতে হয় সেখানে একের পর এক কোমলপ্রাণ ঝরে যাচ্ছে অথচ কোন শোক প্রকাশ নেই, আওয়াজ নেই।

যে মায়ের কোল খালি হচ্ছে তারা জানে এই বেদনা কি। অথচ নাহিদ, হাসানাত, ইউনুস এদের মুখে একটা শব্দ নেই।

সংসদে বলা হলো টিকার জন্য শূন্য খাত নিয়ে এই সরকার শুরু করেছে। তাহলে টিকার টাকার খাত কোথায় গেল?

এবার টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) কার্যক্রম বজায় রাখতে দরপত্র ছাড়াই সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে ইউনিসেফ থেকে ৪২১ কোটি ৪৮ লাখ টাকার টিকা কেনা হবে।

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয়–সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে অর্থ মন্ত্রণালয় নীতিগত অনুমোদনের তথ্য সাংবাদিকদের জানায়।

বৈঠক সূত্রে জানা যায়, উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে টিকা সরবরাহ করা অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ এবং খোলাবাজারে প্রয়োজনীয় সংখ্যক টিকা পাওয়া যায় না এবং টিকার গুণগত মান বজায় রাখা সম্ভব হয় না।

ইউনিসেফের মাধ্যমে ক্রয় বা সংগ্রহ করা সব টিকা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মান বজায় থাকে এবং ক্রয় করা টিকার ক্রয়মূল্য তুলনামূলকভাবে নাকি কম থাকে।

তবে এই বিষয়টা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে ইউনিসেফ থেকে কিনলেই যে সবচেয়ে ভালো দাম পাওয়া যাবে, এই যুক্তি কতটা গ্রহণযোগ্য?

সাধারণ মানুষ শুধু দেখবে, বলার সুযোগ নেই। দরপত্র ডাকলে হয়তো আরো সাশ্রয়ী মূল্যে টিকা পাওয়া যেতো! এক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

যাই হোক, বাংলাদেশে কয়দিন পর পর নতুন পাগলের আমদানি হয়। নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে নিজের দোষ অন্যের কাঁধের উপর চাপিয়ে দেওয়ার পুরোনো অভ্যাস এদের যায়নি।

বিএনপি দেবে ইউনূসের দোষ, ইউনূস দেবে শেখ হাসিনার দোষ! কিন্তু দেশটা বাঁচবে কি করে, বর্তমান নিয়ে তাদের কোনো মাথাব্যথা নেই।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *