নারায়ণগঞ্জ: বাংলাদেশের পরিস্থিতি ধীরে ধীরে করুণ হচ্ছে। ইতিমধ্যে স্কুল কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা বলা হয়েছে। জনজীবন আবার হয়তো করোনাকালীন সময়ের মতো হতে পারে। স্থবিরতা দেখা যাচ্ছে চারপাশে।
সাধারণ মানুষ পাম্পে গিয়ে ফিরে আসছে খালি হাতে। কোথাও কোথাও এত লম্বা লাইন, রোদে পুড়ে হিট স্ট্রোক করছে মানুষ। অথচ সরকারের একটা কথা শোনা যায় না।
রংপুর বিভাগের আটটি জেলায় জ্বালানি তেল সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। কৃষক ট্রাক্টরে তেল দিতে পারছে না, পরিবহন শ্রমিক গাড়ি চালাতে পারছে না, ছোট ব্যবসায়ী জেনারেটর চালু রাখতে পারছে না।
বড় দলগুলোকে বাইরে রেখে, জনগণের বড় অংশকে ভোট কেন্দ্র থেকে দূরে রেখে, একটা সাজানো ব্যবস্থায় ক্ষমতায় আসা এই সরকারের কর্মকর্তারা এখন মাঠে নেমেছেন দুর্নীতি করতে।
সেই শাসনের শিকার হচ্ছে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ, ট্যাংকলরির চালক, হেলপার, ম্যানেজার।
এবার নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে বিশেষ অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত প্রায় ১৪ হাজার লিটার জ্বালানি তেল জব্দ করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এসময় জড়িত দুইজনকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) উপজেলার গোদনাইলে মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড ডিপো সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়।
এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার রাশেদ খান বলেন, গোদনাইলে মেঘনা ডিপোর পাশে ওই অভিযানে ৯১০০ লিটার জ্বালানি তেল অবৈধভাবে মজুত হিসেবে পাওয়া যায়।
পরে সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তেল মজুতে জড়িত মো. সিফাত নামে একজনকে ২ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এবং অবৈধ তেল মজুতের অপরাধে তাকে ৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এদিকে এই দিনেই মেঘনা ডিপু সংলগ্ন এস ও রোডের একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৪৮৮০ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়।
অবৈধভাবে ডিজেল মজুত করার অপরাধে নাসির নামক একজনকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয় বলে জানা যাচ্ছে।
