ঢাকা: বাংলাদেশে নাটক চলছে। নির্বাচন বন্ধ করার চরম রাজনীতি শুরু হয়ে গেছে। এতদিন হয়েছে খালেদা জিয়াকে নিয়ে। এখন চলছে হাদিকে নিয়ে।

হাদিকে ইতিমধ্যে সিঙ্গাপুর নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সেখানে তাঁর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে
কয়েকটি পরীক্ষার রিপোর্ট জানা যাবে।

রিপোর্ট পাওয়ার পর চিকিৎসকরা হাদির পরিবারকে তার চিকিৎসার রোডম্যাপ জানাবেন।

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরপরই হাদীর ওপর প্রাণনাশের হামলা—এটি কি কেবল বিচ্ছিন্ন ঘটনা, নাকি পরিকল্পিত রাজনীতির অংশ?

এই প্রশ্ন দেশবাসীর মনে।

বিএনপি, পুলিশ কমিশনারসহ বিভিন্ন মহলের বক্তব্যে জামাত–শিবিরের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠলেও প্রশ্ন থেকে যায়—এই তথাকথিত নির্বাচন কি আদৌ গণতন্ত্রের জন্য, নাকি দেশের সার্বভৌমত্ব ধ্বংসের এক সুপরিকল্পিত ব্যবস্থা?

প্রধান উপদেষ্টা ইউনুসের ভূমিকা নিয়ে জনমনে তীব্র সন্দেহ।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানিয়েছেন এমপিদের অস্ত্রের বৈধতাদেয়া হবে। এটি কেন? কোন কারণে? অস্ত্রের বৈধতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত কি কার্যত জামাত–শিবিরের হাতেই অস্ত্রকে বৈধতা দেওয়া নয়?

যে শক্তি ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধা ও বুদ্ধিজীবী হত্যার সঙ্গে জড়িত, তাদেরই কি আবার রাষ্ট্রক্ষমতার ছায়ায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে?

তাছাড়া এখন তো সরকারের ভিতর তারাই সরকার চালাচ্ছে। জামাত শিবিরকে পেলেপুষে রেখেছেন ইউনূস।

এদিকে, ডিবি তুলে নিয়ে যায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে। প্রশ্ন একটাই—এটা কি স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর সরাসরি আঘাত নয়? পরে তাঁকে ৫ দিনের রিমান্ডেও নেয়া হয়েছে।

তাঁর দোষ কী? তিনি কী সন্ত্রাসী?

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *