ঢাকা: নারী পুলিশকে একদম সপাটে পেটে লাথি কষালেন পাকিস্তানি সাদিক কায়েমের কথিত ‘বান্ধবী’।

তাঁর কাণ্ড দেখে জাতি আজ সত্যিই বিনোদিত এবং লজ্জিত! সেই তরুণীর গায়ে পবিত্র নার্সের পোশাক, চোখে বুদ্ধিজীবী চশমা, আর মুখে মাস্ক—লুকটা দেখে মনে হতে পারে উনি বুঝি কোনো বড় মাপের সেবিকা।

কিন্তু কাজটা কী? জনগণের নিরাপত্তারক্ষী একজন মহিলা পুলিশের পেটে সরাসরি ক্যারাটে কিক কেন মারলেন তিনি?

আর সেই পুলিশ লাথি খেয়ে হাসছেন। কী ঘটছে এইসব দেশে? ঐ নারীর নাম জানা যায়নি।

​কী বিচিত্র আমাদের দেশের কিছু মানুষের মানসিকতা! লাথি দেওয়ার সময় পুরোপুরি সচেতন।

অথচ তারপর কেমন মানসিক রোগীর মতো আচরণ করতে লাগলেন! ধরা পড়ার উপক্রম হলেই সাথে সাথে ‘মানসিক রোগী’ সেজে যাওয়ার এক অদ্ভুত জাদুকরী ক্ষমতা তাদের আছে।

নার্সের মতো মহান পেশার পোশাক পরে যারা পুলিশের ওপর হামলা চালায় এবং পরে মানসিক রোগের নাটক করে পার পেতে চায়, তারা আসলে কারা তা কী জানার বাকি আছে? সাদেক কায়েমের হাত যে ধরে সে নিশ্চয়ই রাজাকার ছাড়া আর কিছু না।

মেডিকেলের পবিত্রতা নষ্ট করে যারা রাজনৈতিক গুন্ডামি চালায়, তাদের আসল জায়গা হাসপাতাল নয়, যথাযথ আইনি বিচার।

​অবশ্য আইন বলতে তো এখন শূন্য বাংলাদেশে?

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি)র ঘটনা এটি‌। শহীদ ওসমান হাদি চত্বরে ঐক্যবদ্ধ ছাত্রসংসদের আয়োজনে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে আয়োজিত গণজমায়েতে সাদিক কায়েম রক্তখেকোর মতো হুমকি দিচ্ছিলেন। সেখানেই এই ঘটনা।

সাদিকের কথায় বোঝা গেলো, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আরো রক্ত নেবে এরা। সরাসরি হুমকি দিয়ে রেখেছে সে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি সাদিক কায়েম বলেছেন, ‘প্রতিবাদী আমলে যেভাবে নির্বাচন হয়েছে, সেই নির্বাচনের কাঠামোর মাধ্যমে অবৈধভাবে ক্ষমতা আসতে চান, বাংলাদেশে আমরা জুলাই প্রজন্ম বেঁচে থাকতে তা হতে দেব না।

আবার যদি অবৈধ নির্বাচন হয় আবার জুলাই নেমে আসবে, আবার আবু সাঈদ উত্তরসূরিরা নেমে আসবে, ওসমান হাদির উত্তরসূরিরা নেমে আসবে, ইনশাআল্লাহ।’

সাদিক কায়েম বলেন, ‘আমি সবাইকে অনুরোধ করব, আমাদের সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *