কুড়িগ্রাম: আর কতো হিন্দুর জীবন বিসর্জন হলে নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে! বাংলাদেশে ধারাবাহিক হিন্দু হত্যা থামছেই না। এত বিভৎসতা অথচ ইউনূস বলছেন এগুলো সাম্প্রদায়িক ঘটনা নয়! তারাই নাকি দোষী?
এবার কুড়িগ্রামের বৃদ্ধ মধু শীল খুন হয়ে গেলেন।
হিন্দু হত্যা মিশনে যুক্ত হলো আরও একটি নাম। উগ্র ইসলামপন্থী জেহাদী একটি ভূমিদস্যু ও দখলবাজ গংয়ের শিকার হলেন হিন্দু বৃদ্ধ মধু চন্দ্র শীল (৬২)।
জোর করে জমি দখল করার উদ্দেশ্যে মধুচন্দ্র শীলকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠেছে আশরফ আলি ও আবেদ আলি নামে ভূমিদস্যু বা জমি মাফিয়া গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে।
সোমবার দুপুরে ঘটনাস্থল কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার উমরমজিদ ইউনিয়নের অন্তর্গত জয়দেব মালসাবাড়ি গ্রাম।
সেখানকার নাপিতপাড়ার বাসিন্দা মধুচন্দ্রের জমির দখল নিতে বেশ কিছুদিন ধরেই তৎপর ছিল আশরফ–আবেদদের গোষ্ঠী।
সোমবার দুপুরে বাড়ির কাছে কলতলায় তাঁকে বেধড়ক মারধরের পরে আছাড় মারে অভিযুক্তরা। ঘটনাস্থলে বেশ কিছুক্ষণ নিস্তেজ অবস্থায় পড়ে ছিলেন তিনি।
আশঙ্কাজনক অবস্থায় পরিবারের লোকজন এবং স্থানীয়রা মধুকে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।
গ্রামবাসীদের কাছ থেকে জানা যায়, মধু চন্দ্র শীল একজন সাধারণ মানুষ ছিলেন। কোনো রাজনৈতিক পরিচয় ছিলো না।
নিজের ছোট্ট ভিটেমাটি আর শান্ত জীবনটাই ছিল তাঁর সবকিছু। কিন্তু কেড়ে নিলো হত্যাকারী, ইসলাম জমি দখলকারীরা।
এর বিচার হবে? এর পরেও কী বলবেন ইউনূস?
