ঢাকা: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ! আরেকটা ৫ আগস্ট যেন! সব নির্মাণগুলো জ্বালিয়ে পুড়িয়ে খাক করে দেয়া হচ্ছে। যেন শ্মশান সব। চারদিকে শুধু আগুন আর ছাই।
ওসমান হাদি-র মৃত্যুতে অগ্নিগর্ভ করে তোলা হয়েছে বাংলাদেশকে। সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয় শুক্রবার।
বাংলাদেশের জঙ্গীরা যেন হাদির মৃত্যুর খবর প্রকাশের অপেক্ষাতেই ছিলো, পরিকল্পনা সব আগে থেকেই ছিলো। শুধু একটা খবর! ব্যস! ধরাও আগুন।
হাদির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই শাহবাগ সহ বহু জায়গায় বিক্ষোভ, অবস্থান কর্মসূচি শুরু হয়। ভাঙচুর, আগুন লাগানো শুরু হয়ে যায়।
ইনকিলাব মঞ্চের নেতা শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর খবর আসার পরই আগুন জ্বলতে থাকে বাংলাদেশে।
প্রথম আলো, ডেইলি স্টারের মতো প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমের অফিসে আগুন লাগিয়ে দেয়া হয়।
বৃহস্পতিবার রাতে কয়েকশ বিক্ষোভকারী কারওয়ান বাজারের সিএ ভবনে অবস্থিত প্রথম আলো কার্যালয়ে চড়াও হয়। বিক্ষোভকারীরা ভবনের মূল ফটক ভেঙে ভেতরে ঢুকে ভাঙচুর চালায়।
আসবাবপত্র, কম্পিউটার ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র জানালা দিয়ে নিচে ফেলে দেয়। নথিপত্র ও আসবাবপত্রে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।
ডেইলি স্টার সেন্টারেও হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। বিক্ষোভকারীরা ভবনটির কাঁচ ভাঙচুর করে ভেতরে প্রবেশ করে।
হামলার সময় ভবনের ভেতরে থাকা অনেক সাংবাদিক, কর্মচারী ছাদে, নিরাপদ কক্ষে আশ্রয় নেন।
ডেইলি স্টারের আহমেদ দিপ্ত ফেসবুকে একটি ভিডিও আপলোড দেন।
ক্যাপশনে লেখেন, ‘এমন লেট নাইট ডিউটি যেন কারও জীবনে না আসুক। ছাদে আটকা পড়ছি, মাফ কইরা দিয়েন। ভবনে আগুন দিছে, দেখা নাও হতে পারে’!
পুলিশ কোনো ভূমিকা নেয়নি। নীরব দর্শক হয়ে দাঁড়িয়েছিল পুলিশ। দমকলকর্মীরা এসে আগুন নেভায় এবং ভিতরে আটকে থাকা কর্মীদের উদ্ধার করে।
হামলার কারণে আজ, শুক্রবার প্রকাশ হবে না প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকা। অনলাইন ওয়েবসাইটও প্রায় বন্ধ।
