বাগেরহাট: এই বাংলাদেশে জীবিতরা মৃত দেখতে যায় না, বরং মৃতেরা জীবিতের কাছে যায়। বড় অদ্ভুত অন্ধকার গ্রাস করেছে সারা দেশকে।

ছাত্রলীগ করার জন্য জেলে গেলেন সাদ্দাম, এখন হারালেন তাঁর স্ত্রী এবং সন্তানকে। তাঁদের হত্যা করা হয়েছে এমন অভিযোগ উঠছে।

সাদ্দামের অপরাধ কিছুই না। তিনি ছাত্রলীগ করেন এটাই তাঁর অপরাধ।

প্যারোলে মুক্তি একজন বন্দির সর্বোচ্চ নাগরিক অধিকার। অথচ সেই অধিকার থেকে সাদ্দামকে বঞ্চিত করে, তার স্ত্রী ও শিশুসন্তানের মরদেহ ছুঁয়ে দেখার সুযোগ পর্যন্ত দেয়া হয়নি।

এই ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে দেশবাসী।

এদিকে, ঘটনার পরেই বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধ সংগঠন) সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দামকে ৬ মাসের জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমেদ ভূঞার হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

সাদ্দামের সঙ্গে ঘটে যাওয়া এই হৃদয়বিদারক ঘটনার দায় ধামাচাপা দেওয়ার অপচেষ্টা হিসেবে দেখছেন মানবাধিকারকর্মী ও আইন সংশ্লিষ্টরা।

তারা বলছেন, প্যারোল না দিয়ে পরে জামিনের সিদ্ধান্ত আসলে পুরো ঘটনার ওপর থেকে জনগণের চাপ সরিয়ে নেওয়ার কৌশল।

এই নাটক দেশবাসীর জানার আর বাকি নেই।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *