ঢাকা: পুরো বাংলাদেশের কারাগারকে টর্চার সেলে পরিণত করা হয়েছে, বন্দীদের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে কোটি কোটি টাকা কামাচ্ছে জেলের কর্মকর্তারা।
পরিকল্পিতভাবে, রাষ্ট্রীয় উসকানির মাধ্যমে মব সন্ত্রাসকে নরমালাইজ করা হয়েছে।
বিনা মামলায় গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়ে নিরপরাধ ব্যক্তিদের ওপর প্রশাসনিক সন্ত্রাস চালানো হচ্ছে। জামিন পাওয়ার অধিকার প্রকাশ্যে কেড়ে নেওয়া হয়েছে।
ভয়াবহ অবস্থা দেশের। সরকারি স্পন্সরে পরিচালিত এই সন্ত্রাসী ও মানবাধিকারবিরোধী কর্মকাণ্ড দেশবাসীকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে।
মৃতদেহের বিনিময়ে জামিন পেয়েছেন ছাত্রলীগ সাদ্দাম।
ছাত্রলীগের সাদ্দাম ভাইয়ের হৃদয়ের অনুভূতি কেউ উপলব্ধি করতে পারবে না।
স্ত্রী ও সন্তানকে শেষ বিদায় দিতে হয়েছে জেলের গেট থেকে। কত মর্মান্তিক, প্রশাসন প্যারোলেও মুক্তি দিলো না সাদ্দামকে।
ইতিহাস বদলে দিল এই সরকার।
তারপর ছাত্রলীগের বাগেরহাট সদর উপজেলা সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দাম জামিনে মুক্তি পেয়ে বাড়িতে ফিরেছেন।
কিন্তু যেখানে স্ত্রী সন্তান নেই সেটা কী আর বাড়ি?
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেল ২টার দিকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হন তিনি।
সন্ধ্যায় বাগেরহাট সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রামের নিজ বাড়িতে পৌঁছান সাদ্দাম।
বাড়িতে ফিরে প্রথমেই স্ত্রী ও সন্তানের কবর জিয়ারত করতে ছুটে যান তিনি। স্ত্রী ও সন্তানের কবরে মাটি ছুঁয়ে অঝোরে কাঁদতে থাকেন সাদ্দাম।
সাদ্দামের শ্বশুর রুহুল আমিন হাওলাদার, শ্যালক শুভ হালদার, ভাই শহিদুল ইসলামসহ উভয় পরিবারের আত্মীয়স্বজন এবং স্থানীয় এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।
