ঢাকা: আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো বাংলাদেশ-ভুটানের মধ্যে সরাসরি পণ্য পরিবহন।
এটি দেশের জন্য অত্যন্ত লাভজনক অধ্যায়।
তবে এখানে একজনের নাম উল্লেখ না করলেই নয়। অবশ্য উল্লেখ করে না কেউই।
এই ঐতিহাসিক মাইলফলকের পেছনে যে দূরদর্শী কূটনীতি ও কঠোর পরিশ্রম রয়েছে, তার কৃতিত্ব সম্পূর্ণই যায় শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের ঘাড়ে।
উল্লেখযোগ্য যে, ২২ মার্চ ২০২৩ সালে, থিম্পুতে শেখ হাসিনা সরকারের বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সি এবং ভুটানের শিল্প, বাণিজ্য ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী লয়নপো কর্মা দোর্জি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশ-ভুটান Traffic-in-Transit Agreement (TITA)।
এর আগে ২০২০ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোতে শেরিংয়ের ভার্চুয়াল বৈঠকে Preferential Trade Agreement (PTA) স্বাক্ষরিত হয়, যা ১ জুলাই ২০২২ থেকে কার্যকর।
১৯৮০ সালের পুরনো ট্রানজিট চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর দীর্ঘ ২৩ বছর বন্ধ থাকা সরাসরি সংযোগ পুনরুজ্জীবনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন শেখ হাসিনা।
যে ট্রাকটি চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ভুটানের পথে রওনা দেয়, তার প্রতিটি কাগজ, প্রতিটি সমঝোতা, প্রতিটি প্রটোকল শেখ হাসিনা সরকারের আমলে সম্পন্ন।
বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন কিংবা বিডা চেয়ারম্যান শুধুমাত্র ট্রায়াল রানের ফিতা কেটেছেন। এটা ছাড়া আর কিচ্ছু না।
উল্লেখযোগ্য যে, শনিবার (২২ নভেম্বর) থেকে শুরু হওয়া এই ট্রায়াল রান ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের বাংলাদেশ সফরকালে উদ্বোধন করা হলো।
তিন দিনব্যাপী কার্যক্রমের আওতায় চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ১৫ টন পণ্যবাহী একটি চালান বুড়িমারী স্থলবন্দর হয়ে ভারতের করিডর ব্যবহার করে ভুটানে পৌঁছাবে। প্রথম ট্রায়াল সফল হলে দ্বিতীয় ট্রায়াল চালানো হবে।
এবং এই দুটি ট্রায়াল সফলভাবে সম্পন্ন হলে নিয়মিতভাবে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করে ভুটান বাংলাদেশের ওপর দিয়ে ৬৮৪ কিলোমিটার ট্রানজিট করিডর ব্যবহার করে পণ্য পরিবহন করতে পারবে।
