ঢাকা: রাজাকার, জঙ্গী ইউনূস সরকার এই দেশের ক্ষমতায় বসেছে জঙ্গী শাসন কায়েম করার জন্য । এবার বীরের স্মৃতিস্তম্ভ “বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর নগর” ভেঙে ফেলা হয়েছে বড় রাস্তা হবে বলে।

মুক্তিযুদ্ধে চরম সাহসিকতা আর অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ যে সাতজন বীরকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান “বীর শ্রেষ্ঠ” উপাধিতে ভূষিত করা হয় তিনি তাদের অন্যতম।

এই ঘটনা কি নতুন? জানা গিয়েছে, ৫০ কোটি টাকার মুক্তিযুদ্ধ সংরক্ষণ প্রকল্প বাতিল করা হয়েছে, মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য ভেঙে ফেলা হয়েছে,৭ই মার্চের ইতিহাস বই থেকে মোছা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ তাঁদের কাছে এখন ভীতির আরেক নাম। পেয়ারে পাকিস্তানের সাপোর্টে সব কর্ম করে যাচ্ছে দোস্ত ইউনূস।

ইউনুস সরকারের চোখে, ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ এখন পাকিস্তানের প্রোপাগান্ডার মতোই অসম্মানিত।

এটাই সেই সরকারের সত্যিকারের মুখোশ—যারা ইতিহাসকে মুছে ফেলার মাধ্যমে দেশপ্রেমের ধারাকে নিঃশেষ করতে চায়!

পাকিস্তানের মতো একটা নিকৃষ্ট দেশও তাদের বীরদের নত মস্তকে মর্যাদা দেয়।সম্মান করে।

কিন্তু বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার? এই দেশটা ধীরে ধীরে পাকিস্তান হয়ে যাচ্ছে। বাঙালিরা নিজের দেশ রেখে অন্য দেশকে ভালোবাসে।

আপনাদের নিশ্চয়ই জ্ঞাত আছে ”ইধার সো রাহা হ্যায় এক গাদ্দার’ বা ‘এখানে ঘুমিয়ে আছে এক বিশ্বাসঘাতক।” – পাকিস্তানের করাচির মাসরুর বিমান ঘাঁটির চতুর্থ শ্রেণির কবরস্থানে নিতান্তই অযত্ন আর অবহেলায় ফেলে রাখা বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের কবরের সামনে লেখা ছিল কথাটি।

আর এখন যদি মুক্তিযোদ্ধার কবরে কথাটি লেখা থাকে বাংলাদেশে খুব অবাক হবেন?

আমাদের দেশের গাদ্দাররা সেই পথেই এগোচ্ছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *