ঢাকা: সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় নিহত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ছয় শান্তিরক্ষীর মরদেহ আজ শনিবার দেশে এসেছে।

শান্তিরক্ষা মিশনে নিহত হওয়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬ সদস্যের কফিনে বাংলাদেশের পতাকা নেই। রশি আর বস্তা দিয়ে বেঁধে কার্গোতে রাখা হয়।

তাদের নিয়ে ন্যূনতম আলোচনা নেই দেশে। থাকবে কী করে? দেশ হাদিকে নিয়ে ব্যস্ত, দেশে এখন আগুন জ্বলছে‌।

লাল-সবুজের পতাকা তাদের কপালে জুটল না কেন? অনেকেই কফিনে পতাকা পেয়েছে, তা নিয়ে কোনো আপত্তি নেই। তবে সেনাবাহিনীর সদস্যরা পেলেন না কেন?

এর জবাব কী দেবে অন্তর্বর্তী সরকার?

এদিন বেলা ১১টা ৫ মিনিটে তাঁদের বহনকারী উড়োজাহাজটি ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

এর আগে শুক্রবার আইএসপিআরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের কাদুগলি লজিস্টিকস বেইসে বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী বর্বরোচিত ড্রোন হামলা চালায়। এই ঘটনায় ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত ও ৯ জন আহত হন।

নিহত শান্তিরক্ষীরা হলেন নাটোরের করপোরাল মো. মাসুদ রানা, কুড়িগ্রামের সৈনিক মো. মমিনুল ইসলাম ও সৈনিক শান্ত মণ্ডল, রাজবাড়ীর সৈনিক শামীম রেজা, কিশোরগঞ্জের মেস ওয়েটার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ও গাইবান্ধার লন্ড্রি কর্মচারী মো. সবুজ মিয়া।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *