ঝিনাইদহ: উপমা দত্ত, অনন্য গাঙ্গুলী– একের পর এক হিন্দু শিক্ষার্থীর লাশ পাওয়া যাচ্ছে। রাষ্ট্র ভেঙে পড়েছে।
সংখ্যালঘু মারা হচ্ছে, এবং তড়িঘড়ি ‘আত্মহত্যা’ বয়ান দেয়া হচ্ছে।
ঢাবির ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হওয়া অনন্য গাঙ্গুলীর মৃত্যু কি সত্যিই এত সহজ?
নাকি প্রশ্ন তোলার আগেই ইউনূস প্রশাসন সবকিছুর ওপর “মানসিক অসুস্থতা”র সিল মেরে দিতে চাইছে?
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হওয়া অনন্য গাঙ্গুলীর মৃত্যু ঘিরে গভীর প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে নিজের বাড়ি থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী অনন্য গাঙ্গুলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে কোটচাঁদপুর বাজারপাড়ার হাইস্কুল সড়কের একটি বাড়ি থেকে অনন্য গাঙ্গুলী (২৫) র লাশ উদ্ধার করা হয়।
তিনি কোটচাঁদপুর বাজারপাড়ার হাইস্কুল সড়কের সাবেক প্রভাষক প্রদ্যুৎ কুমার গাঙ্গুলীর ছেলে।
অনন্যের মা রাধা রানী গাঙ্গুলী বলেন, ‘শনিবার রাতে সে ঢাকা থেকে বাড়িতে আসে। রাতে খাবার খেয়ে সে তার শোওয়ার ঘরে চলে যায়। সকাল ৮টার দিকে নাশতা বানিয়ে খাওয়ার জন্য ডাকছিলাম। এ সময় তার কোনো সাড়া না পেয়ে পাশের জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে দেখতে পাই, ফ্যানের সঙ্গে অনন্য ঝুলছে। এরপর পুলিশে খবর দেয়া হয়। পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।’
রাধা রানী বলেন, ‘সে বাড়ি আসার পর আগের মতোই আচরণ করেছে। আমার সঙ্গে কোনো দিন কোনো বিষয় নিয়ে মন খারাপের ঘটনা ঘটেনি। তবে কেন সে এ ধরনের ঘটনা ঘটাল, বুঝতে পারছি না। অনন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ছিল।’
২০২২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জন করেন অনন্য গাঙ্গুলী।
