ঢাকা: হাদি হত্যা সম্পূর্ণ ম্যাটিকুলাস ডিজাইন। ঠিক যেমন হয়েছে আবু সাঈদ, মুগ্ধের।
ভাইকে হারিয়ে ইউনুসকেই দায়ী করেছিলেন হাদির ভাই। সব বুঝশুনে এবার ভালো ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমেছেন ইউনূস।
নির্বাচনের আগে সেই ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির ভাইকে বড় চাকরি দিল ইউনুসের অন্তর্বর্তী প্রশাসন।
ওমর বিন হাদিকে ব্রিটেনের বার্মিংহামে বাংলাদেশে সহকারী হাইকমিশনের দ্বিতীয় সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ করা হল।
বৃহস্পতিবার ইউনুসের জনপ্রশাসন মন্ত্রকের বৈদেশিক নিয়োগ শাখার বিজ্ঞপ্তিতে এই নিয়োগের কথা ঘোষণা করা হয়েছে।
তবে এটি যদি মনে করেন পাশে থাকা, তা মোটেও নয়। ইউনূস আসলে অতি চালাকি করতে গিয়ে সব প্রমাণ করে দিয়েছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের সময়ও ঠিক একইভাবে সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের পর নিহতদের স্বজনদের চাকরির ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন ইউনূস।
আর এখনো একই কাজ। নিজের স্বার্থ হাসিলের পর রক্তের দাগ মুছতে একই কৌশল অবলম্বন করেছেন। ভারতবিরোধী হাদিকে করা হয়েছে বলির পাঁঠা।
গত মাসে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে আয়োজিত এক কর্মসূচিতে শহীদ শরিফ ওসমান হাদির বড় ভাই ওমর বিন হাদি অন্তর্বর্তী সরকারের কঠোর সমালোচনা করেছিলেন।
তিনি সরাসরি সরকারকে অভিযুক্ত করে বলেন, “আপনারা ওসমান হাদিকে হত্যা করিয়েছেন আবার আপনারাই এটাকে ইস্যু করে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছেন। আমরা তা কখনো হতে দেবো না।”
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নির্বাচনের পর রাষ্ট্রক্ষমতা ছেড়ে বিদেশে চলে গেলেও এদেশের জনতা তাদের কাঠগড়ায় দাঁড় করাবে। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন এই হত্যাকাণ্ড ঘটায় এর দায় তারা কোনোভাবেই এড়াতে পারে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।
আসলে এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে জামায়াতে ইসলামীর সক্রিয় সম্পৃক্ততা রয়েছে এবং ড. ইউনূস বিষয়টি সম্পর্কে জানেন। ক্ষমতার লোভ।
এবার সেই ওমর বিন হাদিকে যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী তিন বছরের মেয়াদে হাইকমিশনের দ্বিতীয় সচিব পদে নিয়োগ করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব আবুল হায়াত মহম্মদ রফিক ১৫ জানুয়ারি এই বিজ্ঞপ্তিতে সই করেন।
