ঢাকা: সেহেরি খাওয়ার সময় একজন মানুষকে তুলে নিয়ে গিয়ে সন্ত্রাসী কায়দায় মারধর করা হলো। এরা মানুষ?

সেহরি করে ওরা রক্ত দিয়ে! তৃপ্তি করে সেহরি করে।

অথচ এখন কিন্তু কারো চেতনা আর জাগ্রত হয় না; বায়তুল মোকাররম মসজিদ প্রাঙ্গন থেকেও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে কোনো মিছিল দেখা যায় না।

কারণ, ছেলেটি বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ নিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছিল। তাই তার ধর্মীয় পরিচয়, সেহেরি খাওয়া বা রোজা রাখা এসব আর ধর্মীয় ইবাদত হিসেবে বিবেচ্য বিষয় হয়ে দাঁড়ায় না। এই হচ্ছে ধর্মীয় উগ্রবাদীর আচার।

এখন পাভেল শুধু ৭ ই মার্চ। সে মুসলিম এটা কেউ দেখবে না এখন।

আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীরা কী তৈরি হচ্ছে বলতে পারেন? অনেক সুন্দর সুন্দর উদাহরণ তৈরি হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ে। মানবতার উদাহরণ অস্বাভাবিক ছেলেকে খাইয়ে,আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে মারা!

রাজনীতির নামে অরাজকতা লেগেই আছে!সাধারণ মানুষের কাছে বিশ্ববিদ্যালয় মানে আতঙ্কের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে অথচ হওয়ার কথাছিল গর্বিত।

ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তে ভেজা হতভাগা এই দেশ!!!

পাভেলকে যেভাবে মারা হয়েছে সেভাবে একটা খুনীকেও বোধহয় এই দেশে পেটায় না।

বুয়েটের শিবিরের জঙ্গি আবরার ফাহাদ কে কারা মেরেছিল এটার প্রমাণ এর পাভেল এর উপর নির্যাতন টা!

একদম এক কায়দায় নির্যাতন করা হয় সেহরি থেকে উঠিয়ে পাভেলকে। শিবির চাইছিল ছাত্রলীগের নাম জড়িয়ে একটা ডেডবডি।

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে পাভেল এর নির্যাতনকারীরা ছাত্রলীগে গুপ্ত হিসেবে রাজনীতি করে যত অপরাধ করে বেড়াতো। আর দোষ হত ছাত্রলীগের।

মারধরের পর তাকে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করা হয় এবং পরে পুলিশ প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। রবিবার (৮ মার্চ) গভীর রাতে বুয়েট ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে।

পাভেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ২০২০–২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

পাভেলকে অন্তত পাঁচ দফায় মারধর করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তাকে কিল-ঘুষির পাশাপাশি বাইকের শেকল ও তালা দিয়ে পেটানো হয়। এতে তার হাতের আঙুল থেতলে যায় এবং পায়ে আঘাত পাওয়ায় তিনি ঠিকভাবে হাঁটতে পারছিলেন না।

বেশিরভাগ আঘাত তার চোখের দিকেই করা হয়েছে। আরও অভিযোগ রয়েছে, মারধরের সময় তার মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ ও মোটরসাইকেলের চাবি ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে।

মারধরের পর তার শারীরিক অবস্থা গুরুতর হয়ে পড়লে শাহবাগ থানার ভেতরে একটি গাছের নিচে তাকে ফেলে রেখে অভিযুক্তরা সেখান থেকে চলে যায় বলে দাবি করা হয়েছে।

এর বিচার কী করবে বিএনপি?

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *