ঢাকা: দুই জুলাই সন্ত্রাসীকে সমাদর করলেন ইউনূস ।
এই সন্ত্রাসী দুর্নীতিকে এক শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গেছেন, এই সন্ত্রাসীর দুর্নীতির ফাইল এখন দুদকের ডিপ ফ্রিজে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার ঠিক আগের দিন (১০ ডিসেম্বর) অন্তর্বর্তী সরকারের ছাত্র প্রতিনিধি দুই উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া (স্থানীয় সরকার এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়) এবং মাহফুজ আলম (তথ্য উপদেষ্টা) পদত্যাগ করেছেন।
তাঁরা ১৫ মাস এবং ১৩ মাস সরকারে ছিলেন।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান মন্তব্য করেছেন:
ছাত্র প্রতিনিধি দুই উপদেষ্টার কাছে মানুষের প্রত্যাশা অনেক থাকলেও, তাঁরা সেই প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেননি।
দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ:
“বরং তাঁদের মন্ত্রণালয়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এবং তাঁদের বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতি ও স্বার্থের দ্বন্দ্বমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে।”
সেপ্টেম্বরে পদত্যাগ করতে বলা হলেও, তাঁরা তা না করে ক্ষমতার প্রতি আকর্ষণে নিমজ্জিত ছিলেন, যা ভালো দৃষ্টান্ত নয়।
ইউনূসের বড় পেয়ারে তাঁরা।
এদিন, উপদেষ্টা পরিষদের সভা শেষে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বিদায়ী যুব ও ক্রীড়া, সমবায়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের সম্মানে এক মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করেন।
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) ঢাকার তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এই মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়। এ সময় প্রধান উপদেষ্টা তাঁদের সঙ্গে ছবিও তোলেন।
মাহফুজ তো ইউনূসের ভাষায় মাস্টারমাইন্ড।
আসিফ ও মাহফুজের পদত্যাগ নিয়েও ইউনুস সরকারের নির্লজ্জ পক্ষপাতিত্ব দেখা গিয়েছে।
বিনা ভোটের উপদেষ্টারা ক্ষমতার লোভে পাগল।
ক্ষমতা তারা ছাড়তে চায় আরো ভালো ভাবে ক্ষমতায় বসার জন্য। এবং তাদের এই অনৈতিক কাজে সমর্থন দিচ্ছে ইউনুস সরকার।
