ঢাকা: বাংলাদেশে এখন আর শিক্ষার পরিবেশ নেই। শৈক্ষিক পরিবেশ থাকলে ছাত্রদের নিয়ে ষড়যন্ত্র করবে কীভাবে জঙ্গী গোষ্ঠী?
শেখ হাসিনার আমলে ছিলো বই উৎসব, এখন হয়েছে বই সংকট।
এখনো শিক্ষার্থীরা হাতে বই পায়নি।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ১৫ জানুয়ারির মধ্যে সব শিক্ষার্থী সব বিষয়ের সব বই হাতে পাবে।
তবে পাঠ্যবই ছাপানোর কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ১৫ জানুয়ারির মধ্যে হয়তো ছাপার কাজ শেষ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। কিন্তু বাঁধাই, সরবরাহপূর্ব পরিদর্শনসহ (পিডিআই) আনুষঙ্গিক কাজ শেষ করে সব বই সরবরাহ করতে আরও দিন লাগতে পারে।
আর নতুন বই হাতে পেতে যত দেরি হবে, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ক্ষতি তত বাড়বে।
ষোল মাস আগে যারা রাস্তায় নেমে শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে হাজারো অভিযোগ তুলেছিল,জঙ্গী আন্দোলন করে শেখ হাসিনাকে তাড়িয়েছিলো, আজ তারাই দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ধসিয়ে দিয়েছে।
এরাই তো অনেক বড় বড় কথা বলেছিলো।
জানুয়ারির ১৩ তারিখ চলছে, অথচ লাখ লাখ শিক্ষার্থী এখনও পাঠ্যবই হাতে পায়নি। প্রায় তিন কোটি বই এখনও বিতরণ করা সম্ভব হয়নি। করতে অক্ষম এই সরকার।
যে সরকার দাবি করেছিল তারা দেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে, রিসেট বাটনে টিপে, সেই সরকারই আজ শিক্ষার মতো মৌলিক বিষয়ে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। শিক্ষা ধ্বংস, শিক্ষা আউট, মব ইন।
গত ষোলো বছর ধরে জানুয়ারির প্রথম দিনই দেশজুড়ে বই উৎসবের আয়োজন হতো। শীতের সকালেই শিক্ষার্থীর হাতে নতুন বই পৌঁছে যেত। আনন্দে মশগুল থাকতো তারা।
আজ সেই ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে।পাঠ্যবই বিতরণের মতো একটি নিয়মিত, জরুরি প্রশাসনিক কাজ পর্যন্ত এরা সামলাতে পারছে না।
এখন তো শিক্ষকরা পড়াতে পারছেন না কারণ এবারের পাঠ্যসূচিতে অনেক পরিবর্তন এসেছে, পুরোনো বই দিয়ে পড়ানো সম্ভব নয়। নতুন বই হাতে নেই।
শিশুর জীবনের এই মূল্যবান সময়গুলো ফিরিয়ে দেবেন জঙ্গী ইউনূস?
