ঢাকা: পেনগান অনেকের কাছে নতুন নাম। কিন্তু কলমের মতো হুবহু দেখতে মারাত্মক এই অস্ত্রটি নতুন নয়। জুলাইয়ে “মেটিকুলাস ডিজাইন” এ ব্যবহৃত হয়েছে এই “পেনগান”।
খুব শর্ট রেঞ্জে ব্যবহার হয় এই সকল সিঙ্গেল শট পেনগান।
জুলাইয়ের হত্যাকান্ডের সঠিক তদন্ত হলেই জানা সম্ভব পেনগান আর স্নাইপার রাইফেল কিভাবে বাংলাদেশে এসেছে, আর কোথায় কোথায় কি কি ভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
পেনগানকে অন্যসব হ্যান্ডগানের মতোই ভয়ংকর।
এই পেনগান ২৪ এর জুলাই আগস্টে বাংলাদেশে ঢুকেছে। আর এক্ষেত্রে রুট হিসেবে ভূমিকা পালন করেছে তুরস্ক!
জুলাই আন্দোলনে জঙ্গিদের হাতে এসব অস্ত্র পৌঁছে দেয়ার মাধ্যমে আন্দোলনের ভেতর থেকে লাশ ফেলে জনগণকে উস্কে দেয়া হয়েছিল!
এছাড়াও আন্দোলনকারীদের দেয়া হয় ভয়াবহ ড্রাগস। যা খেলে তাদের মধ্যে হিংস্রতা জেগে ওঠে। আরো অনেক প্রভাব আছে।
২৪ এর জুলাই ষড়যন্ত্রের যাদুকরী অস্ত্র এই পেনগান এবং এর ব্যবহার এখনো চলমান…!! নেকাবধারী বোরকাওয়ালীরাও এই অস্ত্র ব্যবহার করেছে অনায়াসে।
“পেন গান” বা কলম পিস্তল দেখতে অবিকল একটি স্টিলের কলম। ওপরে একটি পুশ-বাটন এবং সামনে সু’চালো নিব।
তবে এতে কোনো কালি নেই, ভেতরে রয়েছে গু’লি। একটি মোচড় দিয়ে বাটনে চাপ দিলেই বেরিয়ে আসে প্রাণঘা’তী .২২ ক্যালিবারের বুলেট।
এমনই এক ছদ্মবেশী ‘পেনগান’ উদ্ধার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
সম্প্রতি পুরান ঢাকার নয়াবাজারে যুবদল নেতা রাসেলকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় এই অস্ত্রের ব্যবহার নাকি হয়! এই নিয়ে উদ্বিগ্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) তদন্তে জানা গেছে, দেখতে সাধারণ কলমের মতো হলেও ‘পেনগান’ আসলে একটি মারাত্মক আগ্নেয়াস্ত্র, যা সহজে বহন ও গোপন রাখা যায়।
এর ভেতরে গুলি করার মতো ইস্প্রিন্টার রয়েছে। এমনকি ব্যবহারের পর অস্ত্রটি একটি সিগারেটের প্যাকেটে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।
এই ঘটনায় জড়িত দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা- সায়মন এবং সোহেল ওরফে কাল্লু।
তাদের কাছ থেকেই কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে অস্ত্রটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছেন, প্রায় ৮০ হাজার টাকায় এই অস্ত্র সংগ্রহ করা হয়েছিল।
