ঢাকা: মারাত্মক চতুর একজন ব্যক্তি ভিসি সাহেব। জামাতিরা তো এমনিই চতুর। ঢাকা বিশ্ব-মাদ্রাসায় শিবিরকে ডাকসুতে জিতিয়ে দিয়ে ইতিহাস রচনা করেছেন ঢাবির উপাচার্য।
পালাচ্ছে গুপ্তরা! এবার পদত্যাগপত্র জমা দিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান।
তিনি শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলনের কাছে রবিবার সকালে পদত্যাগপত্র জমা দেন বলে উপাচার্যের প্রটোকল অফিসার মোহাম্মদ ফিরোজ জানান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, “উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান আজ ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রবিবার সকালে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে উপাচার্যের পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে তার মূল পদ উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের গ্রেড-১ অধ্যাপকের পদে ফেরার জন্য মহামান্য রাষ্ট্রপতি বরাবর আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন।
ডাকসু নির্বাচনে গুপ্ত শিবিরের পক্ষে ভোট চুরির সহায়ক ছিলেন এই ব্যক্তি। গুপ্ত বাহিনীর গুপ্ত নেতা শিবিরের প্যানেলকে ভোট চুরি করে জেতানোর কারিগর তিনি।
তিনি জামাতের লোক। তিনি শিবিরকে জয়ী করেছেন প্রতিটা স্তর থেকে। অতএব তাঁর বিদেশে যাওয়ার সময় হয়ে গেছে বুঝে ফেলেছেন।
ড. নিয়াজ আহমেদ খান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হওয়ার আগে ছিলেন একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি। সেখান থেকে জামাতি কোটায় এক লাফে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি।
ছাত্রাবস্থায় বহু অপকর্ম আছে তাঁর। তাঁর তালিকা অনেক লম্বা। ছাত্রলীগের ৪০৮ জন ছেলেকে বহিষ্কার করা, ছাত্রলীগ করার দায়ে ক্লাস-পরীক্ষায় বসতে না দেয়া, ঢাবি ক্যাম্পাসে ছাত্র খুন, ক্যাম্পাসের মেয়েদের সমাবেশের নামে জামাত বাহিনী কর্তৃক টিজ করা, শিবিরের ছেলেদের দিয়ে হল দখল করানো এবং শেষ অবধি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পবিত্র ভূমিতে বাংলাদেশ বিরোধী শক্তির প্রতিষ্ঠার অন্যতম পিতা এই ব্যক্তি।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রীকে বিস্তারিতভাবে অবহিত করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বৃহত্তর শিক্ষাখাতের উন্নয়নে অব্যাহতভাবে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
“শিক্ষামন্ত্রী দেশের একটি ক্রান্তিকালীন সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখায় উপাচার্যকে বিশেষ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।”
