ঢাকা: আজ খালেদা জিয়া জীবন-মৃত্যুর সীমানায় দাঁড়িয়ে লড়ছেন, অথচ পাশে নেই সন্তান।
এই মুহূর্তে তারেক রহমান লন্ডনের নিরাপদ দেয়ালে গা ঢেকে বসে আছেন। আর স্টেটাস দিচ্ছেন ফেসবুকে বসে।
যে ছেলে নিজের মায়ের মৃত্যুযন্ত্রণার সময় দেশে ফিরতে ভয় পান, তিনি কীসের নেতা? দেশের পরিষেবা দেবেন তিনি?
এখনো ভয়? ইন্টেরিম সরকারের চোখ রাঙানি, জামায়াত-শিবিরের চাপ, নাকি দীর্ঘদিনের পলাতক জীবনের অপরাধবোধ? জনগণ কাছে খুবই স্পষ্ট এখন, ভয়টাই তারেকের পরিচয়, পালানোই তাঁর একমাত্র রাজনীতি।
তিনি যতই বার্তা দিন, তাঁর কোনো ক্ষমতা নেই। মা মৃত্যুশয্যায় আর তিনি নিজের নিরাপত্তা নিয়ে কাঁপছেন; এ দৃশ্য বাঙালির রাজনৈতিক স্মৃতিতে ঘৃণার নতুন সংজ্ঞা হয়ে থাকবে।
ঝুঁকি নিতে জানেন না তিনি। জনগণ বুঝেছে তারেকের নেতৃত্ব মানে দূর থেকে চিৎকার করা, নিজেকে বাঁচিয়ে রাখা আর জনগণকে আবেগ দিয়ে ঠকানোর চেষ্টা।
সুদূর লন্ডনে বসে ‘রিমোট কন্ট্রোলে’ দল চালানো বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়ার ‘ভার্চুয়াল রাজনীতি’ এবং দেশে ফেরার অনিচ্ছা নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছেন সাংবাদিক রুবিনা ইয়াসমিন।
তিনি স্পষ্ট ভাষায় মন্তব্য করেছেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারেক জিয়া বাংলাদেশে পা রাখবেন না।
আজ এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে রুবিনা ইয়াসমিন তারেক জিয়ার রাজনৈতিক কৌশলকে প্রশ্নবিদ্ধ করে লেখেন, তারেক জিয়ার রাজনীতি এখন পুরোপুরি অনলাইননির্ভর। এমনকি তিনি তার অসুস্থ মা ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকেও দেখেন কেবল অনলাইনের পর্দায়।
