ঢাকা: বাংলাদেশে হতে চলেছে একতরফা নির্বাচন। এই প্রহসনের নির্বাচন দেশের জনগণের আত্মবিশ্বাস ভেঙে ফেলছে।

শুধু তাই না, এর ফলাফল যে একতরফা হবে সেটাও নিশ্চিত।

এই নির্বাচন দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার পরিবর্তে নতুন করে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সামাজিক বিভাজন তৈরি করতে পারে।

বিশাল জনগোষ্ঠীর মতামত ও সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া আয়োজিত যে কোনো নির্বাচনই অসম্পূর্ণ এবং জনস্বার্থবিরোধী হয়ে ওঠার আশঙ্কা থাকে।

বাংলাদেশে প্রহসনের নির্বাচন বন্ধের দাবিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তরের সামনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ হয়। বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)-এর সদর দপ্তরের সামনে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

বেলজিয়াম আওয়ামী লীগের উদ্দোগে আয়োজিত এই সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন, সংগঠনের সভাপতি শহীদুল হক ও সঞ্চালনা করেন, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর চৌধুরী রতন।

এবং সেখানে ভার্চুয়ালী যুক্ত ছিলেন শেখ হাসিনা । প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শেখ হাসিনা।

অনেকেই সেখানে বক্তব্য রেখেছেন।

প্রবাসীদের প্রতিনিধি দল মি. পিচেস্কি ইয়াকুব এমইপি ও মি. এডভাইজার আলেক্সান্ডার গ্রুক-এর কাছে ইউনূসগং যে সংখ্যালঘুদের, আওয়ামী লীগ এবং তার সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের হত্যা এবং তাঁদের বাড়ি-ঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান লুটপাট, দখল ও নারী-শিশু ধর্ষণসহ মানবতাবিরোধী যেসব অপরাধ করেছে বা করে চলছে, তার তথ্য প্রমাণ তুলে ধরেন এবং একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।

এছাড়াও প্রবাসীদের পক্ষ থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেন বরাবর আর একটি স্মারকলিপি দাখিল করা হয়।

শেখ হাসিনা পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের এর আগে বক্তব্য অনুযায়ী, এই নির্বাচন শুধুমাত্র একটি পরিকল্পিত ব্যবস্থার বৈধতা তৈরির চেষ্টা। তাই ভোট থেকে বিরত থাকাই বাংলাদেশের মানুষের জন্য শেষ সুযোগ।

তিনি বলেন, “আপনারা কেউ ভোট দিতে যাবেন না। ভোট না দিলে এই নির্বাচন সফল হবে না। জামাত থেকে বাঁচতে চাইলে এটাই লাস্ট চান্স।”

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *