ঢাকা: বর্তমানে দেশে একটি অবৈধ, অসাংবিধানিক এবং বিদেশি শক্তি-নির্ভর “অন্তর্বর্তীকালীন সরকার” ক্ষমতায় আছে, যার নেতৃত্বে রয়েছেন ইউনূস।

এই সরকার কোন গণরায় বা সাংবিধানিক প্রক্রিয়া ছাড়াই রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে রেখেছে। এর পররাষ্ট্রনীতি জাতীয় স্বার্থ নয়, বরং বিদেশি প্রভুদের সন্তুষ্টি নিশ্চিত করতেই অধিক মনোযোগী।

প্রহসনের এই নির্বাচনে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক এনে দেখানো হচ্ছে নির্বাচনের স্বচ্ছতা। আসলে সবকিছু আগে থেকেই ঠিক করে রাখা।

পর্যবেক্ষক শুধু আই ওয়াশ!

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট পর্যবেক্ষণে এখন পর্যন্ত ৩৩০ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক বাংলাদেশে আসবেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

এর মধ্যে ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)-সহ ছয়টি আন্তর্জাতিক সংস্থা অন্তত ৬৩ জন পর্যবেক্ষক পাঠাতে সম্মত হয়েছে।

পর্যবেক্ষকের সঙ্গে যুক্ত হবেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের পর্যবেক্ষক দল, ১৬টি দেশের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৩২ জন ব্যক্তি।

উল্লেখ করা জরুরি যে, নির্বাচনে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২০২৪ সালের বিতর্কিত দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি।

ওআইসি’র দুই সদস্যের পর্যবেক্ষক দলটির নেতৃত্ব দেবেন সংস্থাটির নির্বাচন পর্যবেক্ষণ ইউনিটের প্রধান শাকির মাহমুদ বান্দার।

এছাড়া এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনস (আনফ্রেল) থেকে ২৮ জন, কমনওয়েলথ সেক্রেটারিয়েট থেকে ২৫ জন, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই) থেকে সাতজন এবং ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ইনস্টিটিউট (এনডিআই) থেকে একজন পর্যবেক্ষক আসবেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ভয়েস ফর জাস্টিস, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল, এসএনএএস আফ্রিকা, সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন এবং পোলিশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স-এর মতো সংস্থার প্রতিনিধিত্বকারী ৩২ জন ব্যক্তি পর্যবেক্ষক হিসেবেও নির্বাচনী কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন।

এদিকে, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের সফর সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকা সিনিয়র সচিব ও এসডিজি সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ জানিয়েছেন, আমরা আশা করছি আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকের সংখ্যা আরো বাড়বে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *