ঢাকা: অবৈধ এবং অসাংবিধানিক ফ্যাসিবাদী ইউনূস শাসনামলে উগ্রবাদের উত্থান এবং আইন-শৃঙ্খলার পতনের মধ্যে বাংলাদেশকে দ্রুত বিশৃঙ্খলা ও নৈরাজ্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

সাম্প্রতিক দিনগুলিতে বাংলাদেশ গণহত্যা, অগ্নিসংযোগ, মব, নৃশংস হত্যাকাণ্ডের নজিরবিহীন বৃদ্ধি প্রত্যক্ষ করেছে। এগুলি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়।

যে মানুষ সারাজীবন গরীবের রক্ত চুষে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন, তিনি এখন এসে বাংলাদেশের উন্নতির কথা শোনাচ্ছেন।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও জুলাই
জাতীয় সনদের বিষয়ে গণভোটের বিষয়ে সারাদেশে প্রচারণার লক্ষ্যে সোমবার (২২ ডিসেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করেছে ‘সুপার ক‍্যারাভান’।

প্রধান উপদেষ্টা এখন নির্বাচনের কথা বলে, আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করে নিজেকে দরদী সাজাচ্ছেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা এমন একটি নির্বাচন চাই, যেখানে থাকবে না ভয়, থাকবে না বাধা—থাকবে কেবল জনগণের মুক্তও নির্ভীক মতপ্রকাশ। সরকার সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।’

তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় অতিক্রম করছে। সামনে আমাদের জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের ওপর গণভোট।

তিনি বলেন, এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে যাত্রা শুরু করেছে ১০টি ভোটের গাড়ি—সুপার ক্যারাভান। এসব গাড়ি দেশের ৬৪টি জেলা ও ৩০০টি উপজেলায় ঘুরে বেড়াবে। তারা মানুষের দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে নির্বাচন ও গণভোট সম্পর্কে তথ্য পৌঁছে দেবে, ভোটাধিকার সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করবে এবং গণতন্ত্রের বার্তা ছড়িয়ে দেবে।

তিনি তো অনেক বড় বড় ভাষণ দিতে পারেন। চোখে পানি চলে আসে তাঁর কথায় কথায়।

‘ভোটাধিকার কারো দয়া নয়—এটি আমাদের সাংবিধানিক অধিকার। এই অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমেই আমরা ঠিক করি, আমাদের ভবিষ্যৎ কোনপথে যাবে। একটি অবাধ, সুষ্ঠ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করা শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়; এটি রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব।’

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *