ঢাকা: জঙ্গী ইউনূস আর তিনি যাদের নিয়ে চলেন সেই জামাত শিবির রাজাকার সুযোগ বুঝে লাফিয়ে উঠেছে দেড় বছরে। রিসেট বাটনে চাপ দেয়ার লোভ দেখিয়ে ক্ষমতায় বসেছেন, এখন দেশটাকেই চাপে ফেলে দিয়েছেন। উন্নয়নশীল দেশটায় এখন জঙ্গী চাষ হয়।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য কথা বললেন ইন্টেরিমের এইসব নিয়ে।
‘নতুন শক্তির কথা বললেও অন্তর্বর্তী সরকার বাস্তবে একটি ক্ষুদ্র ও উগ্র গোষ্ঠীর কাছে অনেক ক্ষেত্রেই জিম্মি হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।
তিনি বলেছেন, ‘এ কারণে সরকার নাগরিকদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।’।
এবং তিনি নির্বাচন নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন । সরকার নিরপেক্ষভাবে আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন করতে পারবে কি না সে প্রশ্ন উঠেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে ‘আগামী সরকারের জন্য নির্বাচিত নীতি সুপারিশ ও প্রস্তাবিত জাতীয় কর্মসূচি’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে কথাগুলো বলেন দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।
সংবাদ সম্মেলনে আগামী সরকারের জন্য ১২টি নীতি বিবৃতি এবং প্রস্তাবিত জাতীয় কর্মসূচি উপস্থাপন করা হয়। নীতি সুপারিশ তুলে ধরেন সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান এবং জাতীয় কর্মসূচি উপস্থাপন করেন সিপিডির অতিরিক্ত পরিচালক (গবেষণা) তৌফিকুল ইসলাম খান।
উপস্থিত ছিলেন নাগরিক প্ল্যাটফর্মের কোর গ্রুপ সদস্য আসিফ ইব্রাহিম, রাশেদা কে চৌধূরী, শাহীন আনাম, সুলতানা কামালসহ অন্যরা।
চব্বিশের আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে সংস্কার প্রসঙ্গে ব্রিফিংয়ে দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন,‘বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার যে সংস্কারের কথা বলেছিল, সেই সংস্কার কার্যকর করতে যে সক্ষমতা, অংশীজনদের সম্পৃক্ততা ও উন্মুক্ততার প্রয়োজন ছিল, তা তারা দেখাতে পারেনি। ফলে নতুন শক্তির কথা বললেও শেষ বিচারে তারা একটি ক্ষুদ্র ও উগ্র গোষ্ঠীর কাছে অনেক ক্ষেত্রে জিম্মি হয়ে পড়ে।
সে কারণে তারা কার্যকর আচরণও করতে পারেনি এবং নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, তারা নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন পরিচালনা করতে পারবে কি না।’
ভট্টাচার্য বলেন, ‘নতুন বন্দোবস্তের কথা বলা হলেও বাস্তবে বিষয়টি ছিল উপরি কাঠামো-কেন্দ্রিক। জুলাই সনদ তারই একটি প্রকাশ। কিন্তু জনমানুষকে সংগঠিত করা কিংবা অন্যান্য অংশীজনকে সম্পৃক্ত করার ক্ষেত্রে তারা যথাযথ মনোযোগ দেয়নি।
জাতীয় সংলাপ হয়েছে মূলত রাজনীতিবিদদের নিয়ে, তাও সীমিত পরিসরে। একটি জাতীয় উত্থান, জাতীয় জাগরণ ও ব্যাপক অংশগ্রহণের মাধ্যমে নতুন বন্দোবস্তের চিন্তাকে সামনে আনা হয়নি, যা একটি বড় সমস্যা।’
