ঢাকা: ওসমান হাদি মারা গিয়েছে। জামাত শিবিরের কাজ সহজ হয়ে গিয়েছে। ম্যাটিকুলাস ডিজাইনে এখন আগুন লগিয়ে চলেছে।

মুগ্ধ, আবু সাঈদ, হাদি সব মৃত্যু এক সুতোয় বাঁধা। এই লাশগুলো প্রয়োজন ছিলো জঙ্গী গোষ্ঠী,জামাত শিবিরের তাই মেরে ফেলা হয়েছে।

এখন হাদির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সারা বাংলাদেশে তাণ্ডব করছে এই জঙ্গীরা!

ভারত বিরোধী কট্টরপন্থী বাংলাদেশি নেতা ওসমান হাদির মৃত্যু হয়েছে সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে। এই ঘটনা সামনে আসার পরপরই বাংলাদেশ জুড়ে তাণ্ডব শুরু হয়েছে।

ইনকিলাব মঞ্চের সমর্থক এবং হাসিনা বিরোধীরা ঢাকা, রাজশাহী সহ বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ প্রদর্শন করছে।

হাদির মৃত্যুতে কি ছায়ানট দায়ী? ভারত দায়ী? ধানমণ্ডি ৩২ দায়ী? নাকি ময়মনসিংহের হিন্দু লোকটা দায়ী? তাহলে এই ধ্বংসলীলা কেন?

রাজশাহীতে আওয়ামী লীগের অফিসে ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, শাহবাগসহ রাজধানীর বিভিন্ন মোড়ে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেছে উন্মত্ত জঙ্গীরা।

শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের সংবাদপত্র ‘প্রথম আলো’র অফিসেও তাণ্ডব চালানো হয় এবং আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

এরই সঙ্গে ভারত বিরোধী স্লোগানও শোনা যাচ্ছে – ‘দিল্লি না ঢাকা’, ‘ভারতের আগ্রাসন, ভেঙে দাও-গুঁড়িয়ে দাও’।

ওসমান হাদির মৃত্যুর পরে বাংলাদেশে জাতীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। এরই সঙ্গে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুস।

সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টায় সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হাদি মারা গিয়েছেন।

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচন ও গণভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরদিন, গত ১২ ডিসেম্বর দুপুরে ঢাকার পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন হাদি।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *