ঝিনাইদহ: ইউনূসের ছত্রছায়ায় দেশকে চরম সাম্প্রদায়িকতার পথে নিয়ে যাচ্ছে উগ্রবাদীরা, সংখ্যালঘু নির্যাতন চলছে অবাধে!

উগ্রবাদী সন্ত্রাসীরা এবার হিন্দু বিধবা নারীকে ধর্ষণ করে চুল কেটে দিলো। এগুলো কি চোখে দেখেন ইউনূস? দেশকে শরীয়া পথে‌ নিয়ে চরম ষড়যন্ত্র শুরু হয়ে গেছে।

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে এক বিধবা হিন্দু নারীকে (৪০) ধর্ষণ করে গাছের সাথে বেঁধে মাথার চুল কেটে পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়েছে।

পিশাচ থেকেও অধম হয়ে গেছে এরা। শনিবার রাতে উপজেলার নদীপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

তসলিমা ক্ষোভে লেখেন, “শাহিন আর হাসান, দুই মুসলমান, এক হিন্দু বিধবা নারীকে হেনস্থা করেছে, ধর্ষণ করেছে। শাহিন আর হাসান কি শাস্তি পাবে? নাকি হিন্দু নির্যাতনের ব্যাপারেও ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি হয়েছে”?

পাশবিক নির্যাতনে ঐ নারী জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে স্থানীয়রা তাঁকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

নির্যাতিতা নারী চিৎকার করলে, শাহিন আর হাসান তাঁকে গাছের সাথে বেঁধে চুল কেটে ভিডিও করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়।

সোনার বাংলা আজ কোথায় পৌঁছেছে?

ভুক্তভোগী নারী কালীগঞ্জ থানায় শাহিন ও তার সহযোগীকে আসামি করে এজাহার দায়ের করেন।

ভুক্তভোগী ও এজাহার সূত্রে জানা গেছে, প্রায় আড়াই বছর আগে কালীগঞ্জ পৌর এলাকার নদীপাড়া থেকে বিধবার কাছে থাকা দুইতলা বাড়ি ও ৩শতক জমি ২০ লাখ টাকায় কিনে নেয় অভিযুক্ত শাহিন ও তার ভাই।

এরপর শাহিনের কু-নজর পড়ে বিধবা নারীর উপর এবং তাঁকে বিভিন্ন কুপ্রস্তাব দিতে থাকে। কিন্তু তিনি রাজি না হওয়ায় বিভিন্নভাবে হেনস্থা করা হয় তাঁকে।

শনিবার সন্ধ্যায় বিধবা মহিলার গ্রাম থেকে দুই আত্মীয় বাড়িতে বেড়াতে আসলে, শাহিন ও হাসান প্রবেশ করে পরপর দুইজন ধর্ষণ করে। পরে ৫০ হাজার টাকা দাবি করলে দিতে অস্বীকৃতি জানালে বাড়িতে আসা আত্মীয়দের মারধর করে তাড়িয়ে দেয়।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *