যশোর: হিন্দুরা এই দেশে দাবার ঘুঁটি। বলতে পারেন ভোটের ঘুঁটি। ভোট হয়ে গেলে মারমার কাট কাট। হিন্দুরা আগে পরে কোনোদিন শান্তিতে থাকতে পারেনি এই দেশে।
আওয়ামী লীগ হোক, বিএনপি জামাত হোক যাই হোক- হিন্দুদের ট্রিট করা হয়েছে শুধু হিন্দু হিসেবেই। তাঁদের বাপ দাদাদের দেশ হলেও এই দেশে থাকার কোনো অধিকার নেই তাদের। অধিকার ছিনিয়ে নিয়েছে উগ্রবাদী মুসলমানরা।
এবার আবারো রক্তাক্ত সংখ্যালঘু হিন্দু! যশোরে চাঁদা না দেওয়ায় গৃহবধূকে নির্মমভাবে পিটিয়ে জখম করা হয়েছে।
যশোর শহরের বেজপাড়া এলাকার ঘটনা এটি। চাঁদা না দেওয়ায় সোমা সাহা (৩৮) নামে এক গৃহবধূকে নির্মমভাবে পিটিয়ে আহত করা হয়।
রবিবার (৮ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বনানী রোড এলাকায় এই নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে। আহত সোমা সাহা ওই এলাকার অখিল কুমার বিশ্বাসের স্ত্রী।
জানা যায়, সোমা সাহার কাছে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ক্ষিপ্ত হয়ে সে কাঠের লাঠি দিয়ে সোমা সাহার মাথায় আঘাত করে।
আঘাতে তার মাথা ফেটে যায়, রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
জানা যায়, বহুদিন ধরে একদল দুর্বৃত্ত বিভিন্ন অজুহাতে তাঁদের কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিলো।
ঘটনার দিন কয়েকজন মিলে চাঁদা দাবি করে আবারো। সোমা সাহার বাড়ি এসে তর্ক বিতর্ক করতে থাকে।
একসময় সোমা সাহার ওপর হামলা চালায়। সোমার চিৎকারে লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারী, চাঁদাবাজরা পালিয়ে যায়।
সোমা সাহা হয়তো এখনো চিকিৎসাধীন। তবে এই ঘটনা কী প্রমাণ করছে?
বিএনপির পুরনো সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ রাজনীতি নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে?
বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষদের টার্গেট করে ভয়ভীতি দেখানো, চাঁদা দাবি করা এসব তো চলছেই!
প্রশাসন, সরকার কি দোষীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেবে?
