ঢাকা: সুদখোর আর জামায়াতের হাতে আজ স্বাধীনতার ইতিহাস। ৫ আগস্ট ঘটানোই হয়েছে দেশকে পাকিস্তান বানানোর জন্য।

জুলাইয়ের রক্তাক্ত দাঙ্গার পর ক্ষমতায় আসা ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার এখন পাঠ্যবই থেকে ‘বঙ্গবন্ধু’ শব্দটি মুছে ফেলছে।

শেখ মুজিবুর রহমানকে এখন শুধু ‘শেখ মুজিবুর রহমান’ লিখতে হবে, ‘বঙ্গবন্ধু’ নয়।

১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি রেসকোর্স ময়দানে লাখো মানুষের সামনে শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিল। সেদিন থেকে আজ অবধি তিনি এই নামেই পরিচিত।

কিন্তু আজ এক নোবেলজয়ী এসে? হঠাৎ করেই এই শব্দটা সমস্যা হয়ে গেল কেন? কারণ এই সরকারের পেছনে যারা আছে, তাদের কাছে বঙ্গবন্ধু শব্দটা সহ্য করার মতো নয়।

জুলাইয়ের দাঙ্গাবাজরা রাস্তায় নেমে শেখ মুজিবকে ‘মুজিব’ বলে তাচ্ছিল্য করেছে, এবং এখন সেই তাচ্ছিল্য রাষ্ট্রীয় নীতিতে পরিণত হয়েছে।

অবশ্য জুলাই আন্দোলনকে প্রথম সাপোর্ট দিয়েছিলেন অনেকের মতোই লেখক তসলিমা নাসরিন। তবে পরে দেশের অবস্থা দেখে আন্দোলনের উদ্দেশ্য বুঝতে পারেন।

ফেসবুকে ইরানের আন্দোলন এবং বাংলাদেশের আন্দোলনের কথা লিখেছেন।

তসলিমা লেখেন: “সরকার পতনের জন্য বাংলাদেশের জুলাই আন্দোলন আর সরকার পতনের জন্য ইরানের জানুয়ারি আন্দোলনের উদ্দেশ্য দু’রকম। যদিও একই রকম জ্বালাও পোড়াও চলছে।

তারপরও আমি বাংলাদেশের আন্দোলনকে সমর্থন করি না, কিন্তু ইরানের আন্দোলনকে সমর্থন করি।

কারণ বাংলাদেশের আন্দোলন ছিল ইসলামী শাসন ব্যবস্থা কায়েম করার জন্য, আর ইরানের আন্দোলন ইসলামী শাসন ব্যবস্থার অবসান ঘটানোর জন্য।

ইসলামী শাসন ব্যবস্থা নারীর সমানাধিকারের বিরুদ্ধে, মানবাধিকারের বিরুদ্ধে, বাক স্বাধীনতার বিরুদ্ধে, অমুসলিমদের অধিকারের বিরুদ্ধে। সারা পৃথিবী থেকেই ইসলামের শাসন হটাতে হবে। এ ছাড়া মানবমুক্তি সম্ভব নয়”।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *