ঢাকা: ঈদের দিন প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবরে উঠে আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন এক যুবক। হঠাৎ যুবকের এই পাগলামো কেন?

শনিবার (২১ মার্চ) বিকাল ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে এই ঘটনা ঘটে।

অবশেষে আহত অবস্থায় তাঁকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এমন আশ্চর্যজনক ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবরের ওপর ওই যুবক গড়াগড়ি দিচ্ছেন। এ সময় দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা তাকে টেনে-হেঁচড়ে বাইরে নিয়ে যান।

জানা গেছে, যুবক জিয়া উদ্যানে ঘুরতে এসে মাজারের ওপর ওঠে ব্লেড দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করছিলেন। তিনি ব্লেড দিয়ে নিজের হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে পোঁচ দেন বলে জানা যায়।

নিজের গলাও কেটে ফেলতে চেয়েছিলেন। পরে তাঁকে উদ্ধার করা হয়।

এই বিষয়ে অবশ্য লেখক তসলিমা নাসরিন ভিন্ন বার্তা দিলেন। অর্থাৎ তিনি বলতে চেয়েছেন, কেউ যদি মরতে চায় তাকে মরতে দেয়া উচিৎ। তিনি বলেন, ঐ যুবককে বাঁচানো মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে।

তসলিমা লিখেছেন, ‘লোকটা আত্মহত্যা করতে চেয়েছিল, আত্মহত্যায় বাধা দেওয়া তো উচিত হয়নি। জীবনটা তার। সে সিদ্ধান্ত নেবে সে বাঁচবে নাকি মরবে। তার অবাধ আবেগ, তার প্রেম, তার ভক্তি যদি উথলে ওঠে, এবং আত্মহত্যার মধ্যে পরিণতি পায়, তাকে তো আত্মহত্যা করতে দেওয়াই উচিত।

চ্যাংদোলা করে সরিয়ে আনা তো মানবাধিকার লঙ্ঘন। বেঁচে থাকার আর মরে যাওয়ার অধিকার দুটোই মানবাধিকার। এই লোকটির মানবাধিকার নিশ্চিতই লঙ্ঘিত হচ্ছে’।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *