ঢাকা: বাংলাদেশে রব উঠেছে ভারত বিরোধিতার। এটা এখন বলে নয়, প্রায়ই দেখা গিয়েছে এমন। তবে বর্তমানের পরিস্থিতি ভিন্ন।

বাংলাদেশে কট্টরপন্থী, জামাত শিবির বলছে যারা যত বেশি ভারতবিরোধী তারাই নাকি দেশপ্রেমী। এইভাবে জিগিড় তুলে জনগণকে উস্কে দেয়া হচ্ছে বিভিন্নভাবে।

ভাঙচুর, আগুনের যেন বিরাম নেই। ওসমান হাদির মৃত্যুর পর নতুন করে অশান্ত বাংলাদেশ।

অথচ এই মৃত্যু কি স্বাভাবিক? নেতার মৃত্যু হলে শোক হয়, সমাবেশ হয়, মিছিল করার হয়। সেখানে এত হিন্দু বিরোধিতা, ভারত বিরোধিতা, সাংস্কৃতিক জায়গায় আক্রমণের কারণ কী? এগুলো কী বুঝ নেই জনগণের?

আর যেকোনও অশান্তি হলেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছেয়ে যায় ভারত-বিরোধী পোস্ট! এবারও সেভাবে শুরু হয়ে গিয়েছে ভারত-বিরোধী প্রচার। প্রোপাগান্ডা ভিডিয়ো বানিয়ে ছাড়া হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

বারবার কাঠগড়ায় তোলা হচ্ছে ভারতকেই। যেকোনও ইস্যুতেই এক ও একমাত্র টাগের্ট ভারত। কেন?

এবার ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পুঙ্খানুপুঙ্খ ও বিস্তারিত তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে ভারত।

পিটিআই বার্তাসংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহকে তলব করে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এ সময় তাঁকে হাদি হত্যার তদন্তের জন্য আহ্বান জানানো হয়।

সূত্রের বরাত দিয়ে পিটিআই জানিয়েছে, হাদিকে হত্যার সঙ্গে ভারতের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠায় নয়াদিল্লি বাংলাদেশকে এ ব্যাপারে বিস্তারিত তদন্ত করার আহ্বান জানিয়েছে।

হাদি আহত হওয়ার পর ভারতের দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছিল এবং তাঁর মৃত্যুর পর বাংলাদেশে ভারতবিরোধী মনোভাব দেখা দিয়েছে, পরিষ্কার উল্লেখ করা হয়েছে।

ছিসব গ্রহণযোগ্য নয়। ফলে সঠিক তদন্তের দাবি জানায় ভারত।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *