ঢাকা: যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা চলছে। আর উলুখাগড়ার প্রাণ যাচ্ছে।

যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। আর এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশে। জ্বালানি সংকটের আতঙ্ক এখন পুরো রাজধানীজুড়ে। স্টেশনে স্টেশনে জ্বালানি তেলের জন্য ভিড় দেখা যাচ্ছে।

কোথাও কোথাও বিক্ষুব্ধ জনতা পাম্প জ্বালিয়ে দিয়েছে।

পেট্রোল পাম্পগুলোতে ভিড় করার কারণও আছে। কারণ বহু মানুষের পেট্রোলের ওপর জীবন জীবিকা চলে।

একতরফা দোষারোপ করলেও হয় না।

যাই হোক, সিন্ডিকেটের আভাস মিলছে।

এদিকে, সাপ্তাহিক ছুটির সময় ডিপো বন্ধ, এমতাবস্থায় অনেকেই আতঙ্কে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল সংগ্রহ করার চেষ্টা করছেন, যার ফলে সাময়িকভাবে কৃত্রিম সংকটের পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।

পেট্রোল পাম্প গুলো রেশনিং করে তেল বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে। কারও কারও মজুদ রবিবারের আগেই শেষ হয়ে গেছে।

এমন জটিল পরিস্থিতিতে ভোক্তাদের মধ্যে কারা কতটুকু জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবেন- সেটি নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার।

ফিলিং স্টেশনগুলো ডিপো থেকে কী পরিমাণ জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবে সেটিও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (৬ মার্চ) জ্বালানি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

নির্দেশনায় জ্বালানি তেল সরবরাহ গ্রহণ/প্রদানের ক্ষেত্রে কয়েকটি শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে।

সেগুলোর মধ্যে-

১. ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি তেল গ্রহণের সময় ভোক্তাকে আবশ্যিকভাবে তেলের ধরন, পরিমাণ ও মূল্য উল্লেখ করে ক্রয় রশিদ প্রদান করতে হবে।

২. নির্দেশনায় আরো বলা হয়েছে ফিলিং স্টেশন থেকে প্রতিবার জ্বালানি তেল গ্রহণের সময় পূর্ববর্তী ক্রয় বিল প্রদর্শন করতে হবে।

৩. ডিলাররা বরাদ্দ ও নির্দেশনা অনুযায়ী ক্রয় রশিদ গ্রহণ করে ভোক্তা প্রান্তে জ্বালানি তেল সরবরাহ করবে।

৪. ফিলিং স্টেশনগুলো জ্বালানি তেলের মজুত ও বিক্রয় সংক্রান্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট ডিপোতে প্রদান করে জ্বালানি তেল উত্তোলন করবে।

৫. তেল বিপণন কোম্পানিগুলো ডিলারদের জ্বালানি তেল সরবরাহ দেওয়ার পূর্বে বর্তমান বরাদ্দের আলোকে মজুত ও বিক্রয় সংক্রান্ত তথ্য পর্যালোচনা করবে, কোনোভাবেই বরাদ্দের বেশি দেওয়া যাবে না।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *