ঢাকা: জামায়াতে ইসলামী সারাদেশজুড়ে তাণ্ডব শুরু করেছে।ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কথা শোনা‌ যাচ্ছে।

বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা নির্ভরযোগ্য প্রতিবেদন থেকে জানা যায় যে, জামায়াতে ইসলামী দেশজুড়ে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে কারচুপি ও কারচুপির জন্য সমন্বিত প্রচেষ্টা জোরদার করছে।

দলটি তাদের নির্বাচনী ভাগ্য নিয়ে ক্রমশ আতঙ্কিত হয়ে পড়ছে, তাই একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক খেলোয়াড় হিসেবে আত্মপ্রকাশের চেষ্টায় কোনও কসরত ছাড়ছে না।

যেসব নির্বাচনী এলাকায় জয়ের সম্ভাবনা নেই, সেখান থেকে ভোটারদের ব্যাপকভাবে স্থানান্তরিত করছে।

জামায়াতের লোকজন সরকারি কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে উঠান বৈঠকের নামে মহিলাদের কাছ থেকে তাদের এনআইডি কার্ডের ফটোকপি নিয়ে যাচ্ছে এবং এনআইডি কার্ড বাবদ ১৫০ টাকা আর নাস্তা দেওয়া হচ্ছে।

দেশের সহজ সরল মহিলাদের জান্নাতের লোভ দেখাচ্ছে, সরকারি কর্মকর্তা সেজে ছলচাতুরী করে এনআইডি কার্ড নিয়ে যাচ্ছে।

এভাবে এনআইডি কার্ড নেয়া মানে মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করা। যা অন্যায় তারা করছে তা অবিশ্বাস্য।

দেশ রক্ষার্থে, জাতীর নিরাপত্তার স্বার্থে এই ধরনের ষড়যন্ত্রকারী চোরদের বয়কট করার আহ্বান জানিয়েছেন‌ সজীব ওয়াজেদ জয়।

জামায়াতকে হাতে গোনা কয়েকটা আসন দেবে। বাকি সব ইঞ্জিনিয়ারিং করে কব্জা করবে। মাস্টার প্ল্যান ও ইকুইপমেন্ট রেডি হয়ে গেছে সব।

জামায়াত আগেভাগে সব রেডি করে রেখেছে।

জামায়াত শিবির ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করতে পারে।

যেসব এলাকায় তাদের শক্তিশালী ঘাঁটি রয়েছে সেসব এলাকার কেন্দ্র দখল।

সকাল সকাল তাদের কর্মীদেরকে কেন্দ্রে তোলা এবং দুপুর থেকে কেন্দ্রে ঝামেলা তৈরি করা। যাতে ভোটে ব্যাঘাত ঘটে।

জামাত তাদের নিজস্ব প্রেসে ছাপানো বেশ কিছু ব্যালট আলাদা ভাবে সাথে করে নিয়ে যাবে এবং আগে থেকে সিল মারা এই সব ব্যালট বক্সে ঢুকিয়ে দেবে কারণ বাক্সের আশে পাশে কেউ থাকবে না। ঠিক ডাকসু নির্বাচনের মতো।

এবং খবর যে, প্রতিটি কেন্দ্র কিছু অতিরিক্ত বাক্স থাকে এগুলো আগে থেকে সিল মেরে ব্যালট পুরিয়ে রাখতে পারে।

এছাড়াও যে যে কেন্দ্রগুলো খাস বিএনপিপন্থী, সেসব কেন্দ্রে মারামারি বাধিয়ে ঐ কেন্দ্রগুলোতে ভোট স্থগিতের কথা শোনা যাচ্ছে।

এমন খবর পাওয়া গেছে যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রায় এক-তৃতীয়াংশ অফিসার এবং সৈনিক এদের প্রতি সহানুভূতিশীল এবং তাদের সাথে যুক্ত, এবং যশোর ও রংপুর বিভাগের ঊর্ধ্বতন জেনারেল স্তরের কর্মকর্তারা জামাতের পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য প্রচারণা চালাচ্ছেন।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *