ঢাকা: যদি দেশের প্রতি ভালোবাসা থাকতো মহাজনের, তাহলে জুলাই আন্দোলনকারীরা বিশ্ব নেতৃত্ব দেবে এই কথা বলতে পারতেন না।
দেশকে পানিতে একবার ডুবাচ্ছে আরেকবার উঠাচ্ছে, এই জঙ্গীরা নাকি বিশ্ব পরিচালনা করবে!
দেশ বাঁচানো কোনো আবেগী স্লোগান নয় এটা আজ অস্তিত্বের প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
যে বাংলাদেশ একসময় উন্নয়ন, আত্মমর্যাদা ও নেতৃত্বের সাহসী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল, মাত্র সতেরো মাসে তাকে পরিকল্পিতভাবে অকার্যকর, বিভ্রান্ত ও অনিশ্চিত রাষ্ট্রে পরিণত করা হয়েছে।
ইউনূস এবং তাঁর জঙ্গী সাঙ্গোপাঙ্গোরা শেষ করেছে সমস্ত।
অর্ধ শতাব্দীর সংগ্রাম আর অর্জন ধ্বংসের এমন নির্লজ্জ অপচেষ্টা ইতিহাসে বিরল। বাংলাদেশ আজ সারা বিশ্বে ধাক্কা খাচ্ছে।
এটি নিছক ব্যর্থতা নয় এটি একটি রাষ্ট্রকে পেছনে ঠেলে দেওয়ার সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক প্রক্রিয়া।
আজ দেশের মানুষ হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে নেতৃত্বশূন্যতার যন্ত্রণা। শেখ হাসিনার অনুপস্থিতি দেশ আজ মর্মে মর্মে বুঝছে।
জুলাই আন্দোলন তো নয়, জঙ্গী আন্দোলন এবং তার লাইসেন্স করে নেয়া।
জঙ্গী চাষ করার লাইসেন্স ছিলো জুলাই আন্দোলন।
কী বলেছেন শুনি নোবেলজয়ী:
জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া তরুণরাই একদিন বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
তিনি বলেন, এই আন্দোলন দেশের রাজনীতি যেমন নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে, তেমনি তথ্যপ্রযুক্তি খাতও ভবিষ্যৎ বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার মূল চালিকাশক্তি হবে।
আজ, বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো–২০২৬’–এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
ড. ইউনূস বলেন, জুলাই আন্দোলনের সময় ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর যে স্বতঃস্ফূর্ত গণবিক্ষোভ তৈরি হয়েছিল, সেটিই শেষ পর্যন্ত একটি শক্তিশালী সরকারের পতনের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
তিনি বলেন, ডিজিটাল খাতই এখন মূল খাত। এই খাত থেকেই পরিবর্তন আসবে এবং অন্যান্য সব খাত এতে প্রভাবিত হবে।
তবে বাঙালিকে, মুক্তিযুদ্ধকে কেউ দমাতে পারেনি। ইতিহাস সাক্ষী এই জাতিকে দীর্ঘদিন বিভ্রান্ত করে রাখা যায় না। আহ্বান এলে মানুষ জাগে, প্রতারণার মুখোশ খুলে দেয়।
