ঢাকা: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আত্মবিশ্বাসের সাথে বললেন নির্বাচনে লুট হওয়া অস্ত্র ব্যবহার হবেনা। উনি খুব ভালো করেই জানেন তাহলে কাদের কাছে ‘অস্ত্রগুলো’ আছে।

যারা লুট করেছে তাদের সাথে সমঝোতায় এসেছেন হয়তো তিনি, তাই বললেন, তারা নির্বাচনে এসব অস্ত্র ব্যবহার করবে না।

তাছাড়া তিনি এত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বললেন কীভাবে? তারমানে আগস্টে যত থানা পুরানো এবং লুট হয়েছে সব কিছুর সাথে তিনি জড়িত।

তাঁর কথাবার্তা এত হেঁয়ালিতে ভরা! আমরা যেমন বলি, ওহ বাচ্চাটা খেলনা হয়তো হারিয়ে ফেলেছে, ফেলে দিয়েছে-ঠিক সেইভাবে একজন উপদেষ্টা কথা বলছেন!

চব্বিশের জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় দেশের বিভিন্ন থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র হয়তো লুটকারীরা খালে-বিলে ফেলে দিয়েছে; এ কারণে উদ্ধার করা সম্ভব হচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

তিনি বলেছেন, ‘থানা থেকে লুট হওয়া কিছু অস্ত্র আছে, সেগুলো এখনো উদ্ধার করা যায়নি। সেগুলো হয়তো খাল-বিল-নদীতে ফেলে দিয়েছে। এ জন্য উদ্ধার করা সম্ভব হচ্ছে না।
তবে পুলিশের লুট হওয়া এই অস্ত্র নির্বাচনকালে ব্যবহার করতে পারবে না—এ প্রতিশ্রুতি আমি আপনাদের দিতে পারি। দৈনিক আমাদের কিছু না কিছু অস্ত্র উদ্ধার হচ্ছে। উদ্ধার হচ্ছে না তা নয়। উদ্ধার হচ্ছে।

সীমান্ত দিয়ে যে অস্ত্র আসছে সেগুলোও কিন্তু উদ্ধার হচ্ছে। তবে আপনারা যে পরিমাণ আশা করেন, হয়তো সে পরিমাণ হচ্ছে না।’

গতকাল রবিবার রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে ৪১তম বিসিএস পুলিশ ব্যাচের শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি কথাগুলো বলেন।

এ সময় তিনি বলেন, ‘দেশে এখন জঙ্গিবাদ বা চরমপন্থী আগের চেয়ে অনেক অনেক কম।

এখন জঙ্গিবাদ নেই বললেই চলে। তবে কিছু ফ্যাসিস্ট জঙ্গি রয়েছে, তারা অন্যান্য দেশে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। এই জঙ্গিদের যাতে তাড়াতাড়ি দেশে নিয়ে আসতে পরি, যেন আইনের আওতায় নিয়ে আসতে পারি—এ জন্য আমরা ব্যবস্থা করব।’

অর্থাৎ নাম না করে আওয়ামী লীগের কথা বললেন তিনি।

অথচ দেশে প্রতিদিন খুন খারাবি হচ্ছে, মানুষ মরে ছাই হচ্ছে, কবর থেকে উঠিয়ে পর্যন্ত পুড়িয়ে ফেলা হচ্ছে মানুষ – এত অনাচার, অন্যায় একটা স্বাধীন দেশে? আর অপদেষ্টারা আছেন পকেট মোটার ধান্দায়! সোনার বাংলা আজ কাঁদছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *