ঢাকা: মাদ্রাসা হয়েছে ধর্ষণের কারখানা। এই ধর্মের দোহাই দিয়ে হাতে কোরান নিয়ে হুজুররা বলাৎকার করে চলেছে ছোট ছোট শিশুদের।

তাদের কবলে পড়ে কত শত বাচ্চাদের জীবন শেষ। তবুও এইসব মাদ্রাসার বিরুদ্ধে, হুজুরদের বিরুদ্ধে আন্দোলন হতে দেখা যায় না।

সন্তান একজন বড় আলেম হবে এই আশায় মা বাবারা মাদ্রাসায় পড়তে দেয়, আর এদিকে অপকর্ম করে বসে থাকে শিক্ষকরা। তাদের যৌন লালসার শিকার হয় অবুঝ বাচ্চাগুলো।

এবার ছাত্রকে টানা তিন বছর ধরে বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (৮ ডিসেম্বর) বিকেলে তাকে আদালতের মাধ্যমে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে গণধোলাই খায় ঐ শিক্ষক নামের কলঙ্ক।

রোববার (০৭ ডিসেম্বর) রাতে তাকে একটি মাদ্রাসা থেকে হাতেনাতে ধরে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয় স্বজনরা।

গ্রেপ্তার মাদ্রাসা শিক্ষকের নাম হাফেজ রেজাউল করীম। তিনি নগরীর আমানতগঞ্জ এলাকার একটি মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের শিক্ষক।

বলাৎকারের ঘটনায় শিশুটগর মামা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

যে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়েছে তার এখন বয়স ১৩। ১০ বছর বয়স থেকে তাকে ধর্ষণ করছে ঐ শিক্ষক।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *