ঢাকা: হিন্দুদের ওপর নির্যাতন, মন্দিরে লুটপাট, হত্যা, ধর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। জঙ্গী ইউনূসের কাল গেছে একটা জাহান্নামের কাল। হিন্দুরা বোধহয় ৭১ এও এইরকম অত্যাচারিত হয়নি, যতটা হয়েছে ইউনূসের কালে। দীপু দাসের ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছে সারা বিশ্বকে।
শুধু দীপু দাস না, এরকম আরো ঘটেছে জ্বালিয়ে দেয়ার ঘটনা। নারকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় বাংলাদেশে।
তবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জমানাতেও দেশে বিপন্ন সংখ্যালঘু হিন্দুরা! যা বিশ্বাস করা হয়েছিলো, হয়তো পরিবর্তন হবে, হয়নি!
ইতিমধ্যেই এই ধরনের কয়েকটি উদাহরণ প্রকাশ্যে এসেছে।
এই পরিস্থিতিতে তারেক রহমানকে চিঠি দিল ৯টি মানবাধিকার সংগঠন। সেখানে তারা বাংলাদেশের নাগরিকদের অধিকার রক্ষার অহ্বান জানিয়েছে।
তারেকের কাছেই দেশের মানুষের অধিকার রক্ষার পক্ষে সওয়াল করল ৯টি মানবাধিকার সংগঠন।
সোমবার তারেককে দেওয়া চিঠিতে বেশ কিছু বিষয়ের বিরোধিতা করে সংগঠনগুলি।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচ নামে একটি সংগঠনের তরফে দাবি করা হয়েছে, ‘শেখ হাসিনার সরকার কিংবা মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার বাংলাদেশে ধর্মীয় হিংসা, হানাহানি কমাতে পারেনি।’
Human Rights Watch-এর ডেপুটি চিফ মীনাক্ষী গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বহু বাংলাদেশি তাঁদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হাসিনার সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করেছেন। তারেক রহমানের সামনে দেশের আমূল পরিবর্তন করার অনেক সুযোগ রয়েছে।
মূলত কী কী দাবি করেছে সংগঠনগুলি?
যে বা যাঁরা মব ভায়োলেন্সের সঙ্গে যুক্ত তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
নির্বিচারে আটক করে রাখা বন্দিদের মুক্তি, হিন্দু-রোহিঙ্গা-সহ সমস্ত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে সংরক্ষণ এবং নিরাপত্তা দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। এবং সর্বোপরি আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দাবি জানানো হয়েছে।
