ঢাকা: ওসমান হাদির মৃত্যুতে সারা বাংলাদেশকে পুড়িয়ে ছাই করে ফেলা হয়েছে। এর সুযোগেই ছিলো ইউনূস, জামাত, শিবির, এনসিপি।
তাই আবু সাঈদের মতো একজনের লাশের প্রয়োজন ছিলো। এর আগে যে কাজ হয়নি সেগুলো এখন পূর্ণ করা হচ্ছে। এই ডাক দিয়েছেন আরেক জঙ্গী নেতা সারজিস আলম।
নাহলে একজনের মৃত্যুতে এত ক্ষোভ? ঠিক আরেকটা ৫ আগস্ট। মৃত্যু যদি এই রাজাকার, জামাতিদের মনে এত আঘাত করে তাহলে দীপু চন্দ্র দাসকে যে মধ্যযুগীয় বর্বরতায় হত্যা করা হলো, সেই বেলা তারা চুপ কেন? এই কাজ তো তারাই করেছে!
এ যে ওসমান হাদির মৃত্যুর ক্ষোভ নয় তা পরিষ্কার। একের পর এক সংস্কৃতি কেন্দ্রে হামলা, যে বাংলাদেশ একসময় শিল্প ও সংস্কৃতিমনাদের জন্য পরিচিত ছিল, তার আকাশে আজ মানুষ পোড়া গন্ধ ।
কট্টরপন্থীদের হাতে ধ্বংস বাংলাদেশ।
ওসমান হাদির মৃত্যুর ক্ষোভ দেখাতে গিয়ে ভেঙে তছনছ করা হয়েছে ছায়ানট। হারমোনিয়াম, তবলা ভেঙে চুরমার। ছিঁড়ে ফেলা হল বই।
এবার উদীচী। ছায়ানটের পর সাংস্কৃতিক সংগঠন উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা। ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।
রাজধানীর তোপখানা রোডে জাতীয় প্রেস ক্লাবের উল্টোদিকে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর কার্যালয়ে হামলা ও আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। আধা ঘণ্টা পর সেই আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে ফায়ার সার্ভিস।
উদীচীর সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে জানিয়েছেন, পরিকল্পিতভাবে এই আগুন লাগানো হয়েছে।
